সর্বশেষ
শেরপুরে তরুণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেন,১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, রাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭৪ শিক্ষক-শিক্ষার্থী আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জমি দখলের চেষ্টা, দুই ভাইকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ; টিনের বেড়া স্থাপনের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ ভিউয়ের নেশায় সামাজিক অবক্ষয়: শিশুদের ভবিষ্যৎ কি কনটেন্ট ব্যবসার বলি হচ্ছে? জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নতুন নেতৃত্বকে মহানগর কোর কমিটির অভিনন্দন সিএমপির ওপেন হাউজ ডেতে নাগরিকদের অভিযোগ শুনলেন কমিশনার, মিলল তাৎক্ষণিক সমাধান দশ বছর পর জবিতে মঞ্চ মাতালেন নগরবাউল জেমস যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ বিজয়নগরে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় কাপড়ভর্তি কাভার্ড ভ্যান আটক

শেরপুরে তরুণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেন,১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ,

শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

 

 

শেরপুর সদর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে মো. আকমল আলী (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁর পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সদর উপজেলার চাপাতলী এতিমখানা মোড় এলাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের সামনে এঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আকমল আলী। অভিযোগে মো. বাবু মিয়া (৩০) নামে একজনকে প্রধান অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাবু মিয়া শেরপুর শহরের চাপাতলী এলাকার হাবিবুল্লাহ ড্রাইভারের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকমল আলী শেরপুর সদর উপজেলার মনকান্দা এলাকার বাসিন্দা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বাবু মিয়ার সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় চাপাতলী এতিমখানা মোড় থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাবু মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে প্রধান অভিযুক্ত বাবু মিয়া তাঁর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আকমল আলীর মাথায় আঘাত করেন। পরে অন্য অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা, রক্তাক্ত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর পরিহিত প্যান্টের ডান পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও সাক্ষীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মামলা-মোকদ্দমা করলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা এবং লাশ গুম করার হুমকি দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অজ্ঞাতপরিচয় এক অটোরিকশাচালকের অটোরিকশায় করে তাঁকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শেরপুরে তরুণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেন,১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ,

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

 

 

শেরপুর সদর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে মো. আকমল আলী (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁর পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সদর উপজেলার চাপাতলী এতিমখানা মোড় এলাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের সামনে এঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আকমল আলী। অভিযোগে মো. বাবু মিয়া (৩০) নামে একজনকে প্রধান অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাবু মিয়া শেরপুর শহরের চাপাতলী এলাকার হাবিবুল্লাহ ড্রাইভারের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকমল আলী শেরপুর সদর উপজেলার মনকান্দা এলাকার বাসিন্দা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বাবু মিয়ার সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় চাপাতলী এতিমখানা মোড় থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাবু মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে প্রধান অভিযুক্ত বাবু মিয়া তাঁর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আকমল আলীর মাথায় আঘাত করেন। পরে অন্য অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা, রক্তাক্ত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর পরিহিত প্যান্টের ডান পকেটে থাকা ব্যবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও সাক্ষীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মামলা-মোকদ্দমা করলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা এবং লাশ গুম করার হুমকি দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অজ্ঞাতপরিচয় এক অটোরিকশাচালকের অটোরিকশায় করে তাঁকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।