সর্বশেষ
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নতুন নেতৃত্বকে মহানগর কোর কমিটির অভিনন্দন সিএমপির ওপেন হাউজ ডেতে নাগরিকদের অভিযোগ শুনলেন কমিশনার, মিলল তাৎক্ষণিক সমাধান দশ বছর পর জবিতে মঞ্চ মাতালেন নগরবাউল জেমস যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ বিজয়নগরে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় কাপড়ভর্তি কাভার্ড ভ্যান আটক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বই মেলা উদ্বোধন হয়েছে, গোয়ালবাড়ীতে চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম আহমদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা চাটখিলে ছাত্রদলের বিশাল আনন্দ র‍্যালি শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোয় নোয়াখালীবাসীর নিন্দা, আলোচনায় হাশেম পরিবারের অবদান

কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ

 নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ১১:১০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

 

 

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ দেওয়াসহ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সেবার মান, জনবলসংকট, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের সামনে অবস্থিত কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাগজপত্র ও বৈধতা যাচাই করেন। পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অব্যবস্থাপনার কথা বলেছেন, আপনাদের তা স্বীকার করতে হবে। গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লুটপাট হয়েছে। জনগণের টাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। হাসপাতালগুলোর প্রতি কোনো খেয়াল রাখা হয়নি।’

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ১৯ হাজার বিশিষ্ট হাসপাতাল করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেটিকে ৫০-এ উন্নীত করেন। এরপর আর কেউ এর পরিসর বাড়ায়নি কিংবা উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে হেলথ সেন্টার গড়ে তোলা হবে, যেখানে একজন করে চিকিৎসক থাকবেন।’

এ সময় তিনি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের আরও কয়েকটি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। হাসপাতালের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সীসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও জোরদার করা হয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ

আপডেট সময় : ১১:১০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

 

 

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ দেওয়াসহ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সেবার মান, জনবলসংকট, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের সামনে অবস্থিত কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাগজপত্র ও বৈধতা যাচাই করেন। পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অব্যবস্থাপনার কথা বলেছেন, আপনাদের তা স্বীকার করতে হবে। গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লুটপাট হয়েছে। জনগণের টাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। হাসপাতালগুলোর প্রতি কোনো খেয়াল রাখা হয়নি।’

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ১৯ হাজার বিশিষ্ট হাসপাতাল করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেটিকে ৫০-এ উন্নীত করেন। এরপর আর কেউ এর পরিসর বাড়ায়নি কিংবা উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে হেলথ সেন্টার গড়ে তোলা হবে, যেখানে একজন করে চিকিৎসক থাকবেন।’

এ সময় তিনি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের আরও কয়েকটি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। হাসপাতালের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সীসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও জোরদার করা হয়েছে