সর্বশেষ
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নতুন নেতৃত্বকে মহানগর কোর কমিটির অভিনন্দন সিএমপির ওপেন হাউজ ডেতে নাগরিকদের অভিযোগ শুনলেন কমিশনার, মিলল তাৎক্ষণিক সমাধান দশ বছর পর জবিতে মঞ্চ মাতালেন নগরবাউল জেমস যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দুই নার্সকে অব্যাহতির নির্দেশ বিজয়নগরে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় কাপড়ভর্তি কাভার্ড ভ্যান আটক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বই মেলা উদ্বোধন হয়েছে, গোয়ালবাড়ীতে চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম আহমদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা চাটখিলে ছাত্রদলের বিশাল আনন্দ র‍্যালি শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোয় নোয়াখালীবাসীর নিন্দা, আলোচনায় হাশেম পরিবারের অবদান

দশ বছর পর জবিতে মঞ্চ মাতালেন নগরবাউল জেমস

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

দীর্ঘ ১০ বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চে নগরবাউল জেমসের প্রত্যাবর্তন ঘিরে সোমবার রাতে এক সংগীতমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ‘মা’, ‘কবিতা’ এবং ‘দুষ্ট ছেলের দল’ মতো জেমসের সব গানের তালে উচ্ছ্বাস আর সম্মিলিত কণ্ঠে মুখরিত হয় পুরো ক্যাম্পাস।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্টে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মঞ্চে ওঠেন জেমস।

২০১৬ সালের পর আবারও ক্যাম্পাসে জেমসের গান শুনতে এবং তাকে একনজর দেখতে সন্ধ্যা থেকেই ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। মঞ্চে প্রিয় শিল্পীকে দেখামাত্রই উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা। পরে তার জনপ্রিয় সব গানের পরিবেশনায় জমে ওঠে পুরো আয়োজন।

কনসার্টে জেমস পরিবেশন করেন ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’, ‘কবিতা’, ‘দিওয়ানা দিওয়ানা তুমি বুঝলানা’, ‘মা’, ‘দুষ্ট ছেলের দল’, ‘ছন্নছাড়ার দল’, ‘চোখের দেখায় মনের দেখা হয়’ ও ‘ভালোবাসে তোমরা তাকে কী বলবে’। এ ছাড়া ‘আসবার কালে আসলাম একা, যাইবার কালে যাব একা’, ‘মীরাবাঈ’, ‘আমি তারায় তারায় রটিয়ে দিব’ ও ‘পাগলা হাওয়ার তলে’সহ আরও কয়েকটি গান গেয়ে শোনান তিনি।

প্রিয় গানগুলোর সুর ভেসে আসতেই দর্শকদের উচ্ছ্বাস বাড়তে থাকে। অনেককে শিল্পীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে গান গাইতে দেখা যায়। কেউ কেউ মুঠোফোনে ধারণ করেন প্রিয় মুহূর্ত। কনসার্টজুড়ে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্যান্য দর্শনার্থীর উপস্থিতিতেও ছিল উৎসবের আমেজ।

কনসার্টে দর্শকদের বিপুল উপস্থিতি সামাল দিতে ক্যাম্পাসের ভেতরে বিশেষ ব্যবস্থাও নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শহীদ মিনার ও মুক্তমঞ্চের সামনে স্থাপন করা হয় দুটি জায়ান্ট স্ক্রিন। ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ না পাওয়া বহিরাগত দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বাহাদুর শাহ পার্কেও বসানো হয় আরেকটি বড় পর্দা। সেখান থেকেও কনসার্ট উপভোগ করেন অনেকে।

গান পরিবেশনের সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্‌দীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে জেমসকে আবারও আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। পরে আনন্দ র‍্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যান্ডের পরিবেশনায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে মঞ্চে ওঠেন নগরবাউল জেমস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দশ বছর পর জবিতে মঞ্চ মাতালেন নগরবাউল জেমস

আপডেট সময় : ১২:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

 

 

দীর্ঘ ১০ বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চে নগরবাউল জেমসের প্রত্যাবর্তন ঘিরে সোমবার রাতে এক সংগীতমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ‘মা’, ‘কবিতা’ এবং ‘দুষ্ট ছেলের দল’ মতো জেমসের সব গানের তালে উচ্ছ্বাস আর সম্মিলিত কণ্ঠে মুখরিত হয় পুরো ক্যাম্পাস।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্টে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মঞ্চে ওঠেন জেমস।

২০১৬ সালের পর আবারও ক্যাম্পাসে জেমসের গান শুনতে এবং তাকে একনজর দেখতে সন্ধ্যা থেকেই ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। মঞ্চে প্রিয় শিল্পীকে দেখামাত্রই উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা। পরে তার জনপ্রিয় সব গানের পরিবেশনায় জমে ওঠে পুরো আয়োজন।

কনসার্টে জেমস পরিবেশন করেন ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’, ‘কবিতা’, ‘দিওয়ানা দিওয়ানা তুমি বুঝলানা’, ‘মা’, ‘দুষ্ট ছেলের দল’, ‘ছন্নছাড়ার দল’, ‘চোখের দেখায় মনের দেখা হয়’ ও ‘ভালোবাসে তোমরা তাকে কী বলবে’। এ ছাড়া ‘আসবার কালে আসলাম একা, যাইবার কালে যাব একা’, ‘মীরাবাঈ’, ‘আমি তারায় তারায় রটিয়ে দিব’ ও ‘পাগলা হাওয়ার তলে’সহ আরও কয়েকটি গান গেয়ে শোনান তিনি।

প্রিয় গানগুলোর সুর ভেসে আসতেই দর্শকদের উচ্ছ্বাস বাড়তে থাকে। অনেককে শিল্পীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে গান গাইতে দেখা যায়। কেউ কেউ মুঠোফোনে ধারণ করেন প্রিয় মুহূর্ত। কনসার্টজুড়ে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্যান্য দর্শনার্থীর উপস্থিতিতেও ছিল উৎসবের আমেজ।

কনসার্টে দর্শকদের বিপুল উপস্থিতি সামাল দিতে ক্যাম্পাসের ভেতরে বিশেষ ব্যবস্থাও নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শহীদ মিনার ও মুক্তমঞ্চের সামনে স্থাপন করা হয় দুটি জায়ান্ট স্ক্রিন। ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ না পাওয়া বহিরাগত দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বাহাদুর শাহ পার্কেও বসানো হয় আরেকটি বড় পর্দা। সেখান থেকেও কনসার্ট উপভোগ করেন অনেকে।

গান পরিবেশনের সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্‌দীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে জেমসকে আবারও আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। পরে আনন্দ র‍্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যান্ডের পরিবেশনায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে মঞ্চে ওঠেন নগরবাউল জেমস।