শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোয় নোয়াখালীবাসীর নিন্দা, আলোচনায় হাশেম পরিবারের অবদান
- আপডেট সময় : ০২:৩৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও পারটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নোয়াখালীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ফেসবুকে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্ট ও প্রতিবেদন ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছে প্রয়াত শিল্পপতি এম এ হাশেম ও তাঁর পরিবারের নোয়াখালীর উন্নয়নে অবদানের বিষয়টি।
শওকত আজিজ রাসেল প্রয়াত শিল্পপতি এম এ হাশেমের সন্তান। দেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে পরিচিত এই পরিবারের সঙ্গে নোয়াখালীর মানুষের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে জেলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে পরিবারের অবদান স্থানীয়ভাবে স্মরণ করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় নোয়াখালীর অনেকে এম এ হাশেমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর পরিবারের অবদানের কথা তুলে ধরছেন। তাঁদের বক্তব্যে দল-মত নির্বিশেষে নোয়াখালীর উন্নয়নে এ পরিবারের ভূমিকার যথাযথ মূল্যায়নের দাবি উঠে এসেছে।
আলোচনায় বিশেষভাবে এসেছে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের জন্য পরিবারের জমি দানের বিষয়টি। স্থানীয় মানুষের কাছে এ উদ্যোগ জেলার চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসাশিক্ষার প্রসারে পরিবারের অবদানের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।
শওকত আজিজ রাসেল দেশের শিল্প খাতের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী। আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি টেক্সটাইল শিল্পের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাঁর পরিবারের ব্যবসায়িক ও সামাজিক অবদানের কারণে নোয়াখালীর মানুষের কাছে পরিবারটি বিশেষভাবে পরিচিত।
উল্লেখ্য, পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় আদালতের রায়ের পর শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্ট ও প্রতিবেদনে নিন্দা ও প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এসব প্রতিক্রিয়া নোয়াখালীর সব মানুষের অভিন্ন মতামতকে প্রতিনিধিত্ব করে কি না, তা নিশ্চিত নয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন অনেকে।
নোয়াখালীর উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিদের ভূমিকা স্মরণ এবং আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার বিষয়টি ঘিরেই বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।

















