সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

গাইবান্ধায় অনুমোদনহীন ৪ ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে


গাইবান্ধা জেলা শহরে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রেজওয়ান আহম্মেদ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সিলগালা হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো:

নিউ সেন্টাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার (হাসপাতাল রোড)

ক্রিসেন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার (কাচারি বাজার)

সোনার বাংলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার (কলেজ রোড)

ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার (তুলশীঘাট বাজার)

অভিযানের তথ্য:

অভিযানকালে এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো বৈধ লাইসেন্স বা অনুমোদনপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, পুরোনো ও অননুমোদিত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া গেছে। এসব ত্রুটিপূর্ণ কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছিল।

অভিযান শেষে ডা. মো. রেজওয়ান আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান,

“অবৈধভাবে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তাই জনস্বার্থে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনসচেতনতায় প্রশাসনের বার্তা:

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, চিকিৎসা কিংবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধ অনুমোদন আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। কারণ ভুল রিপোর্ট বা অনির্ভরযোগ্য চিকিৎসা জনগণের জীবন বিপন্ন করতে পারে।

গাইবান্ধায় স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গাইবান্ধায় অনুমোদনহীন ৪ ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫


গাইবান্ধা জেলা শহরে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রেজওয়ান আহম্মেদ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সিলগালা হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো:

নিউ সেন্টাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার (হাসপাতাল রোড)

ক্রিসেন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার (কাচারি বাজার)

সোনার বাংলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার (কলেজ রোড)

ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার (তুলশীঘাট বাজার)

অভিযানের তথ্য:

অভিযানকালে এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো বৈধ লাইসেন্স বা অনুমোদনপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, পুরোনো ও অননুমোদিত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া গেছে। এসব ত্রুটিপূর্ণ কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছিল।

অভিযান শেষে ডা. মো. রেজওয়ান আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান,

“অবৈধভাবে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তাই জনস্বার্থে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনসচেতনতায় প্রশাসনের বার্তা:

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, চিকিৎসা কিংবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধ অনুমোদন আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। কারণ ভুল রিপোর্ট বা অনির্ভরযোগ্য চিকিৎসা জনগণের জীবন বিপন্ন করতে পারে।

গাইবান্ধায় স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।