সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

প্রস্তুত ট্রাম্পের ‘গোল্ড কার্ড ভিসা’, যেভাবে আবেদন করবেন

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে


ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বহুল আলোচিত ‘গোল্ড কার্ড ভিসা’ প্রোগ্রাম আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে কার্যকর হতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের বিনিময়ে বিদেশি নাগরিকদের স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-এর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট এবং ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) ইতোমধ্যেই আবেদনকারীদের জমা দিতে হবে এমন ফর্মের খসড়া তৈরি করেছে। এই ইমিগ্রেশন পিটিশন ফর্মটির নাম দেওয়া হয়েছে আই-১৪০জি ।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, অফিস অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের অনুমোদনের জন্য ফর্মটি জমা দেওয়া হয়েছে এবং হোয়াইট হাউস ইতোমধ্যেই এই খসড়ার জরুরি অনুমোদন দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট এই প্রোগ্রাম চালুর ঘোষণার পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে তারা প্রতিদিন ১ হাজার গোল্ড কার্ড বিক্রি করবেন। তবে অভিবাসীদের প্রতি প্রশাসনের কঠোর মনোভাবের কারণে প্রোগ্রামটি মাঝখানে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল। তবে বেঁধে দেওয়া ১৮ ডিসেম্বরের সময়সীমার আগেই প্রক্রিয়াটি আবার দ্রুত এগোতে শুরু করেছে।
এই প্রক্রিয়ার অধীনে একজন ব্যক্তি যদি স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাসের জন্য আবেদন করেন, তবে তাকে ১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে, যদি কোনো কোম্পানি বা কর্পোরেট আবেদনকারী এই ভিসার জন্য আবেদন করেন, তবে তাদের জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ ধার্য করা হয়েছে ২ মিলিয়ন ডলার। আবেদনকারীদের জন্য ফি বাবদ ১৫ হাজার ডলার প্রযোজ্য, যা ফেরতযোগ্য নয়। এই ভিসায় দুইটি বিশেষ ক্যাটাগরি রয়েছে। 
ইবি-১ ক্যাটাগরি: যারা বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন, যেমন বিজ্ঞানী, শিল্পী বা ব্যবসায়ী, তারা এই ক্যাটাগরির অধীনে আবেদন করতে পারবেন।

ইবি-২ (ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েভার) ক্যাটাগরি: যারা এমন বিশেষ কাজ করছেন যা আমেরিকার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ, তারা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।

এই আবেদন ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সে জমা দিতে হবে। আবেদন ইউএসসিআইএস-এ জমা দেওয়ার পর, তারা আবেদনকারীর যোগ্যতা মূল্যায়ন করবে এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে তহবিলের বৈধ উৎস থেকে এসেছে কিনা তা নিশ্চিত করবে।

একবার আবেদন অনুমোদিত হলে এবং আবেদনকারী অভিবাসী ভিসা নম্বর পেলে, তাকে দূতাবাসে কনস্যুলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। চূড়ান্তভাবে, আবেদনকারী অ্যামেরিকায় ভ্রমণের জন্য অভিবাসী ভিসা পাবেন এবং বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রস্তুত ট্রাম্পের ‘গোল্ড কার্ড ভিসা’, যেভাবে আবেদন করবেন

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫


ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বহুল আলোচিত ‘গোল্ড কার্ড ভিসা’ প্রোগ্রাম আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে কার্যকর হতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের বিনিময়ে বিদেশি নাগরিকদের স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাসের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-এর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট এবং ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) ইতোমধ্যেই আবেদনকারীদের জমা দিতে হবে এমন ফর্মের খসড়া তৈরি করেছে। এই ইমিগ্রেশন পিটিশন ফর্মটির নাম দেওয়া হয়েছে আই-১৪০জি ।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, অফিস অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের অনুমোদনের জন্য ফর্মটি জমা দেওয়া হয়েছে এবং হোয়াইট হাউস ইতোমধ্যেই এই খসড়ার জরুরি অনুমোদন দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট এই প্রোগ্রাম চালুর ঘোষণার পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে তারা প্রতিদিন ১ হাজার গোল্ড কার্ড বিক্রি করবেন। তবে অভিবাসীদের প্রতি প্রশাসনের কঠোর মনোভাবের কারণে প্রোগ্রামটি মাঝখানে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল। তবে বেঁধে দেওয়া ১৮ ডিসেম্বরের সময়সীমার আগেই প্রক্রিয়াটি আবার দ্রুত এগোতে শুরু করেছে।
এই প্রক্রিয়ার অধীনে একজন ব্যক্তি যদি স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাসের জন্য আবেদন করেন, তবে তাকে ১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে, যদি কোনো কোম্পানি বা কর্পোরেট আবেদনকারী এই ভিসার জন্য আবেদন করেন, তবে তাদের জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ ধার্য করা হয়েছে ২ মিলিয়ন ডলার। আবেদনকারীদের জন্য ফি বাবদ ১৫ হাজার ডলার প্রযোজ্য, যা ফেরতযোগ্য নয়। এই ভিসায় দুইটি বিশেষ ক্যাটাগরি রয়েছে। 
ইবি-১ ক্যাটাগরি: যারা বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন, যেমন বিজ্ঞানী, শিল্পী বা ব্যবসায়ী, তারা এই ক্যাটাগরির অধীনে আবেদন করতে পারবেন।

ইবি-২ (ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েভার) ক্যাটাগরি: যারা এমন বিশেষ কাজ করছেন যা আমেরিকার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ, তারা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।

এই আবেদন ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সে জমা দিতে হবে। আবেদন ইউএসসিআইএস-এ জমা দেওয়ার পর, তারা আবেদনকারীর যোগ্যতা মূল্যায়ন করবে এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে তহবিলের বৈধ উৎস থেকে এসেছে কিনা তা নিশ্চিত করবে।

একবার আবেদন অনুমোদিত হলে এবং আবেদনকারী অভিবাসী ভিসা নম্বর পেলে, তাকে দূতাবাসে কনস্যুলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। চূড়ান্তভাবে, আবেদনকারী অ্যামেরিকায় ভ্রমণের জন্য অভিবাসী ভিসা পাবেন এবং বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবেন।