সর্বশেষ
মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বালিয়াডাঙ্গীতে ৩২ মামলার আসামী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কীর্তনখোলায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি: স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের খানসামায় কৃষকদের মাঝে চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ধোঁয়া ও ধুলার মধ্যেই পথ খুঁজে ফিরছে ফিলিস্তিনিরা: ইসরায়েলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজা ও পশ্চিম তীর

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলি বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার উত্তরাঞ্চলের আবাসিক এলাকাগুলো আজ যেন এক মৃত্যুপুরী। আকাশে ছড়িয়ে পড়া কালো ধোঁয়া ও ধুলার মাঝে ফিলিস্তিনিরা কোনোমতে বেঁচে থাকার পথ খুঁজছে। শনিবার (২৪ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এই ভয়াবহ বাস্তবতার চিত্র।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের ১৯ মাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৩ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি। প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে হতাহতের সংখ্যা।

অধিকৃত পশ্চিম তীরেও মানবিক বিপর্যয় চরমে। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ৯৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে অন্তত ১৯৮ জন শিশু। এদের অধিকাংশই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শুধু পশ্চিম তীরেই নিহত হয়েছেন ১৩২ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে ২৫ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে। এই নিষ্ঠুরতার শেষ কোথায়, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মীদের মনে।

গাজা সিটির এক আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পর কালো ধোঁয়া আর ধুলার ভেতর দিয়ে হেঁটে ফিরছেন এক ফিলিস্তিনি নারী—এই দৃশ্য যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত জীবনের প্রতিচ্ছবি।

শুধু প্রাণহানি নয়, বাস্তুচ্যুতিও এ যুদ্ধে আরেক বড় দুর্ভোগের নাম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের নূর শামস, তুলকারেম ও জেনিন শরণার্থী শিবিরে পরিচালিত সামরিক অভিযানে প্রায় ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই এখনো নিজ ঘরে ফিরতে পারেননি।

ইসরায়েলের ধারাবাহিক ও নির্মম সামরিক অভিযানে গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের জীবনযাত্রা দিনে দিনে আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কড়া সমালোচনার পরও ইসরায়েলের নীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি—এমনটাই জানাচ্ছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

ছবি: আল জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধোঁয়া ও ধুলার মধ্যেই পথ খুঁজে ফিরছে ফিলিস্তিনিরা: ইসরায়েলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজা ও পশ্চিম তীর

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

ইসরায়েলি বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার উত্তরাঞ্চলের আবাসিক এলাকাগুলো আজ যেন এক মৃত্যুপুরী। আকাশে ছড়িয়ে পড়া কালো ধোঁয়া ও ধুলার মাঝে ফিলিস্তিনিরা কোনোমতে বেঁচে থাকার পথ খুঁজছে। শনিবার (২৪ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এই ভয়াবহ বাস্তবতার চিত্র।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের ১৯ মাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৩ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি। প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে হতাহতের সংখ্যা।

অধিকৃত পশ্চিম তীরেও মানবিক বিপর্যয় চরমে। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ৯৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে অন্তত ১৯৮ জন শিশু। এদের অধিকাংশই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শুধু পশ্চিম তীরেই নিহত হয়েছেন ১৩২ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে ২৫ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে। এই নিষ্ঠুরতার শেষ কোথায়, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মীদের মনে।

গাজা সিটির এক আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পর কালো ধোঁয়া আর ধুলার ভেতর দিয়ে হেঁটে ফিরছেন এক ফিলিস্তিনি নারী—এই দৃশ্য যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত জীবনের প্রতিচ্ছবি।

শুধু প্রাণহানি নয়, বাস্তুচ্যুতিও এ যুদ্ধে আরেক বড় দুর্ভোগের নাম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের নূর শামস, তুলকারেম ও জেনিন শরণার্থী শিবিরে পরিচালিত সামরিক অভিযানে প্রায় ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই এখনো নিজ ঘরে ফিরতে পারেননি।

ইসরায়েলের ধারাবাহিক ও নির্মম সামরিক অভিযানে গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের জীবনযাত্রা দিনে দিনে আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কড়া সমালোচনার পরও ইসরায়েলের নীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি—এমনটাই জানাচ্ছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

ছবি: আল জাজিরা