সর্বশেষ
মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বালিয়াডাঙ্গীতে ৩২ মামলার আসামী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কীর্তনখোলায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি: স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের খানসামায় কৃষকদের মাঝে চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

জানুয়ারিতে তীব্র শীতের শঙ্কা, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

মো: আজিম মিঞা
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে


জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি মাসে সারাদেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হবে, যেখানে তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এছাড়া ১ থেকে ২টি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, তখন তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রি থেকে আরও নেমে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্য এলাকাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো কোনো দিন এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাবে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেশি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ সময় দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল থাকবে ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে।
শৈত্যপ্রবাহ ও তীব্র শীতের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জানুয়ারিতে তীব্র শীতের শঙ্কা, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

আপডেট সময় : ০২:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬


জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি মাসে সারাদেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হবে, যেখানে তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এছাড়া ১ থেকে ২টি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, তখন তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রি থেকে আরও নেমে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্য এলাকাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো কোনো দিন এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাবে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেশি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ সময় দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল থাকবে ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে।
শৈত্যপ্রবাহ ও তীব্র শীতের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।