সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জানুয়ারিতে তীব্র শীতের শঙ্কা, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

মো: আজিম মিঞা
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬ ১১৭ বার পড়া হয়েছে


জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি মাসে সারাদেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হবে, যেখানে তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এছাড়া ১ থেকে ২টি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, তখন তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রি থেকে আরও নেমে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্য এলাকাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো কোনো দিন এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাবে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেশি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ সময় দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল থাকবে ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে।
শৈত্যপ্রবাহ ও তীব্র শীতের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জানুয়ারিতে তীব্র শীতের শঙ্কা, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

আপডেট সময় : ০২:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬


জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়াবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি মাসে সারাদেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার হবে, যেখানে তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এছাড়া ১ থেকে ২টি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, তখন তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রি থেকে আরও নেমে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্য এলাকাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনো কোনো দিন এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাবে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বেশি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ সময় দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে ১.৫০ থেকে ৩.৫০ মিলিমিটার এবং গড় সূর্যকিরণকাল থাকবে ৩.৫০ থেকে ৫.৫০ ঘণ্টার মধ্যে।
শৈত্যপ্রবাহ ও তীব্র শীতের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।