সর্বশেষ
নালিতাবাড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ধরা,পলাতক মুদি দোকানদার আজিম মিঞার প্রতিবাদমূলক পোস্টে বিতর্কিত মন্তব্য, আলোচনায় পারি ফাউন্ডেশনের ফিরোজ আহমেদ পলাশ জামায়েতে ইসলামি যুব বিভাগ নালিতাবাড়ী শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি এসএসসি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা ১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাপাহারে গাছের চারা বিতরণ সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

জানাজার মাঠ রক্ষায় মেয়রের হস্তক্ষেপ দাবি, উত্তর হালিশহরে দখল আতঙ্ক

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

 চট্টগ্রাম নগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হালিশহর পূর্ব সুন্দবীপাড়া এলাকায় খালপাড়, রাস্তা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মহেশখাল সংলগ্ন সরকারি জায়গায় নির্মাণকাজের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সুন্দবীপাড়া আকবর স্যাঙের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ৯০০১ নম্বর খাল ও ৯০০২ নম্বর রাস্তার পাশে অবস্থিত সরকারি জায়গার একটি অংশে সম্প্রতি নির্মাণকাজের প্রস্তুতি ও স্থাপনা তৈরির কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালের গার্ডওয়াল সংলগ্ন সিটি করপোরেশনের জায়গায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ওই স্থানটি জানাজা, সামাজিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন জনসাধারণের প্রয়োজনে ব্যবহার করে আসছেন। সেখানে স্থাপনা নির্মিত হলে এলাকাবাসী তাদের একমাত্র উন্মুক্ত স্থান হারানোর আশঙ্কা করছেন। এলাকাবাসী আরও জানান, উত্তর হালিশহরের জি-ব্লক হামদাদের গলি সংলগ্ন মহেশখালের পশ্চিম পাশে চলমান কার্যক্রমের ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি খাল, রাস্তা ও জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থান সংরক্ষণ এবং দখলমুক্ত রাখা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তারা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, সরকারি জায়গার সীমানা নির্ধারণ এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর মতে, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে জনসাধারণের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত স্থান এবং জানাজার মাঠ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জানাজার মাঠ রক্ষায় মেয়রের হস্তক্ষেপ দাবি, উত্তর হালিশহরে দখল আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০১:৫৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

 চট্টগ্রাম নগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হালিশহর পূর্ব সুন্দবীপাড়া এলাকায় খালপাড়, রাস্তা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মহেশখাল সংলগ্ন সরকারি জায়গায় নির্মাণকাজের উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সুন্দবীপাড়া আকবর স্যাঙের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ৯০০১ নম্বর খাল ও ৯০০২ নম্বর রাস্তার পাশে অবস্থিত সরকারি জায়গার একটি অংশে সম্প্রতি নির্মাণকাজের প্রস্তুতি ও স্থাপনা তৈরির কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালের গার্ডওয়াল সংলগ্ন সিটি করপোরেশনের জায়গায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ওই স্থানটি জানাজা, সামাজিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন জনসাধারণের প্রয়োজনে ব্যবহার করে আসছেন। সেখানে স্থাপনা নির্মিত হলে এলাকাবাসী তাদের একমাত্র উন্মুক্ত স্থান হারানোর আশঙ্কা করছেন। এলাকাবাসী আরও জানান, উত্তর হালিশহরের জি-ব্লক হামদাদের গলি সংলগ্ন মহেশখালের পশ্চিম পাশে চলমান কার্যক্রমের ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি খাল, রাস্তা ও জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থান সংরক্ষণ এবং দখলমুক্ত রাখা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তারা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, সরকারি জায়গার সীমানা নির্ধারণ এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর মতে, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে জনসাধারণের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত স্থান এবং জানাজার মাঠ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।