সর্বশেষ
শার্শার বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মাঝে আলোকিত নারী সংস্থার শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বেনাপোলে নাশকতা মামলায় পৌর ছাত্রলীগ নেতাসহ দুই আঃলীগ কর্মী আটক বেনাপোল পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনায় ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত শার্শার বেনাপোল দিয়ে ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ২ তরুণী কাজিপুরে থানা চত্বরে মদসহ গ্রেফতার ১ জন পুলিশের পৃথক চলমান অভিযানে শার্শা ও ডিহি থেকে গাঁজা-ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার নেত্রকোণায় নাজু হত্যায় নুরুল আমিনের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে শার্শা থানা পুলিশ শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাবেক দুই মেম্বারসহ ৪ জন গ্রেপ্তার শেরপুরের পাহাড়-বনের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্ক

চোখের সামনে নেশার রাজ্য, তবুও নীরবতা কেন

(স্টাফ রিপোর্টার)
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

ভোলার বুকে ভয়ংকর এক বাস্তবতার নাম এখন—চর আনন্দ পার্ট থ্রি, পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন। স্থানীয়দের ভাষায় এটি আর সাধারণ কোনো এলাকা নয়; বরং ধীরে ধীরে পরিচিত হয়ে উঠছে “মাদকের কারখানা” হিসেবে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই এলাকাটি ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে। অথচ এই অতি নিকটবর্তী এলাকাতেই প্রকাশ্যে চলছে মাদক কেনাবেচা, এমনকি মাদকদ্রব্য ছোড়াছুড়ির ঘটনাও—এমন দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের ক্ষোভ একটাই—“মাদকের অপেক্ষায় পুলিশ বসে থাকে, অথচ মাদকই চোখের সামনে ঘুরে বেড়ায়!”
দিন-রাত চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা এখন যেন স্বাভাবিক দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথচারীরা জানান, অনেক সময় পুলিশের অভিযান চললেও ‘কিছুই পাওয়া যায়নি’—এই অজুহাতেই শেষ হয় কার্যক্রম। এতে হতাশা আরও গভীর হচ্ছে জনমনে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, তদন্ত কেন্দ্রের এত কাছে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন উঠছে—নজরদারি কি যথেষ্ট, নাকি ইচ্ছাশক্তির অভাব?
এদিকে অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত তারা। সচেতন মহল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত দাবি জানিয়েছেন—
চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি
নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা
এবং মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা
নইলে এই “মাদকের ছায়া” আরও গভীরভাবে গ্রাস করবে পুরো এলাকা—এমন আশঙ্কাই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোলার আকাশে-বাতাসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চোখের সামনে নেশার রাজ্য, তবুও নীরবতা কেন

আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ভোলার বুকে ভয়ংকর এক বাস্তবতার নাম এখন—চর আনন্দ পার্ট থ্রি, পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন। স্থানীয়দের ভাষায় এটি আর সাধারণ কোনো এলাকা নয়; বরং ধীরে ধীরে পরিচিত হয়ে উঠছে “মাদকের কারখানা” হিসেবে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই এলাকাটি ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে। অথচ এই অতি নিকটবর্তী এলাকাতেই প্রকাশ্যে চলছে মাদক কেনাবেচা, এমনকি মাদকদ্রব্য ছোড়াছুড়ির ঘটনাও—এমন দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের ক্ষোভ একটাই—“মাদকের অপেক্ষায় পুলিশ বসে থাকে, অথচ মাদকই চোখের সামনে ঘুরে বেড়ায়!”
দিন-রাত চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা এখন যেন স্বাভাবিক দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথচারীরা জানান, অনেক সময় পুলিশের অভিযান চললেও ‘কিছুই পাওয়া যায়নি’—এই অজুহাতেই শেষ হয় কার্যক্রম। এতে হতাশা আরও গভীর হচ্ছে জনমনে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, তদন্ত কেন্দ্রের এত কাছে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন উঠছে—নজরদারি কি যথেষ্ট, নাকি ইচ্ছাশক্তির অভাব?
এদিকে অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত তারা। সচেতন মহল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত দাবি জানিয়েছেন—
চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি
নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা
এবং মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা
নইলে এই “মাদকের ছায়া” আরও গভীরভাবে গ্রাস করবে পুরো এলাকা—এমন আশঙ্কাই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোলার আকাশে-বাতাসে।