সর্বশেষ
মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বালিয়াডাঙ্গীতে ৩২ মামলার আসামী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কীর্তনখোলায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি: স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের খানসামায় কৃষকদের মাঝে চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

গুম ও রামপুরা হত্যাকাণ্ড মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়াতে ও পেশাগত সততার কারণে সিদ্ধান্ত

নিজের পেশাগত সততা ও নৈতিকতার জায়গা থেকে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি গুম মামলা এবং রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীর তালিকা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার।
রোববার (৯ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ওকালতনামা প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, গুমের দুই মামলায় জমা দেওয়া ব্যারিস্টার সরোয়ারসহ পাঁচজন আইনজীবীর ওকালত বাতিল করে নতুন করে ওকালতনামা জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন ট্রাইব্যুনাল।

পরে ব্যারিস্টার সরোয়ার গণমাধ্যমকে জানান, তিনি নিজেও এক গুমের ঘটনায় প্রসিকিউশনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছিলেন, যেখানে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার নাম রয়েছে। তাই একই ব্যক্তিদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে নৈতিকভাবে সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।

“আমার দেওয়া অভিযোগে যাদের নাম আছে, তাদের পক্ষের আইনজীবী হিসেবে থাকা পেশাগত অসদাচরণ হবে। তাই স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়াতে আমি নিজেকে প্রত্যাহার করেছি,” — বলেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার।

এর আগে চলতি বছরের ২১ অক্টোবর গুমের দুই মামলায় সাবেক ১৩ সেনা কর্মকর্তা এবং রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত।

উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত হত্যা, গুম, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী প্যানেল থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গুম ও রামপুরা হত্যাকাণ্ড মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার

আপডেট সময় : ০৭:০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়াতে ও পেশাগত সততার কারণে সিদ্ধান্ত

নিজের পেশাগত সততা ও নৈতিকতার জায়গা থেকে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি গুম মামলা এবং রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীর তালিকা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার।
রোববার (৯ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ওকালতনামা প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, গুমের দুই মামলায় জমা দেওয়া ব্যারিস্টার সরোয়ারসহ পাঁচজন আইনজীবীর ওকালত বাতিল করে নতুন করে ওকালতনামা জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন ট্রাইব্যুনাল।

পরে ব্যারিস্টার সরোয়ার গণমাধ্যমকে জানান, তিনি নিজেও এক গুমের ঘটনায় প্রসিকিউশনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছিলেন, যেখানে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার নাম রয়েছে। তাই একই ব্যক্তিদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে নৈতিকভাবে সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।

“আমার দেওয়া অভিযোগে যাদের নাম আছে, তাদের পক্ষের আইনজীবী হিসেবে থাকা পেশাগত অসদাচরণ হবে। তাই স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়াতে আমি নিজেকে প্রত্যাহার করেছি,” — বলেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার।

এর আগে চলতি বছরের ২১ অক্টোবর গুমের দুই মামলায় সাবেক ১৩ সেনা কর্মকর্তা এবং রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত।

উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত হত্যা, গুম, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী প্যানেল থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার হোসেন।