সর্বশেষ
কড়াইল বস্তিতে মিনি শিশা কারখানা গুলশানে বিপুল গাঁজা জব্দ গ্রেফতার ৬ রামিসাকে ধ/র্ষ/ণ-হ/ত্যা: মানবতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোদের পক্ষে নয় ঢাকা বার, ঢাকার উত্তরার পাশেই গড়ে উঠছে ফ্যাশন ও প্রযুক্তিনির্ভর নতুন প্রজন্ম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ মোঃ মোবাশ্বের আলম সকলের কাছে দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা। রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন, অঝোরে কাঁদলেন হাজার ও মানুষ ইপিজেডের সল্টগোলা ক্রসিংয়ে বিশেষ অভিযানে হামকা গ্রুপের সক্রিয় সদস্য নুরুল আলম গ্রেফতার ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু শিক্ষার্থী সুমাইয়া বাঁচার আকুতি গফরগাঁওয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার: নীরব প্রশাসন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ মানবাধিকারের মুখোশে প্রতারণা? ঝিনাইদহে জনতার হাতে আটক কথিত চেয়ারম্যান যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে অবৈধ চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি

গফরগাঁওয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার: নীরব প্রশাসন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

গফরগাঁও উপজেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

আবারও রক্তাক্ত হলো জনপদ।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক আর ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। পাগলা থানার মশাখালি ইউনিয়নের দড়ি চাইরবাড়ীয়া গ্রামের শাহা ভিটা এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম চাঞ্চল্য।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর দেওয়া হয় পাগলা থানা পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—
কারা এত নির্মমভাবে একজন মানুষকে হত্যা করলো?
কেন এখনো নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা গেল না?
আর কেনই বা দিন দিন বেড়েই চলেছে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড?
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিন্তু স্থানীয়দের ভাষ্য ভিন্ন।
তাদের অভিযোগ, এলাকায় অপরাধ বাড়লেও কার্যকর নজরদারি ও টহলের অভাবে দুর্বৃত্তরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
একজন এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আজ একজন অজ্ঞাত মানুষ, কাল হয়তো আমাদের পরিবারের কেউ! এভাবে যদি রাস্তায় গলাকাটা লাশ পড়ে থাকে, তাহলে মানুষ কোথায় নিরাপদ?”
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি মৃত্যু নয়—এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
মানুষ জানতে চায়, অপরাধীরা কতটা শক্তিশালী হলে এমন বর্বরতা ঘটিয়েও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকে?
এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি—
দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে হবে, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

গফরগাঁওয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার: নীরব প্রশাসন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

আবারও রক্তাক্ত হলো জনপদ।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক আর ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। পাগলা থানার মশাখালি ইউনিয়নের দড়ি চাইরবাড়ীয়া গ্রামের শাহা ভিটা এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম চাঞ্চল্য।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর দেওয়া হয় পাগলা থানা পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—
কারা এত নির্মমভাবে একজন মানুষকে হত্যা করলো?
কেন এখনো নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা গেল না?
আর কেনই বা দিন দিন বেড়েই চলেছে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড?
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিন্তু স্থানীয়দের ভাষ্য ভিন্ন।
তাদের অভিযোগ, এলাকায় অপরাধ বাড়লেও কার্যকর নজরদারি ও টহলের অভাবে দুর্বৃত্তরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
একজন এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আজ একজন অজ্ঞাত মানুষ, কাল হয়তো আমাদের পরিবারের কেউ! এভাবে যদি রাস্তায় গলাকাটা লাশ পড়ে থাকে, তাহলে মানুষ কোথায় নিরাপদ?”
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি মৃত্যু নয়—এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
মানুষ জানতে চায়, অপরাধীরা কতটা শক্তিশালী হলে এমন বর্বরতা ঘটিয়েও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকে?
এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি—
দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে হবে, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।