সর্বশেষ
যশোরে বিজিবির অভিযানে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ৩ জন আ/টক ভোলার চরফ্যাশনে আদালত থেকে জামিন পেলেন মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার বেনাপোলে সাংবাদিক রাব্বীর ওপর হামলা: এক মাসেও গ্রেফতার নেই, ক্ষোভে সাংবাদিক সমাজ খানসামায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দর্শনে চাঞ্চল্যকর ঘটনা: অন্তঃসত্তা শিশুর অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর বেগমগঞ্জে বিতর্কিত ইউপি সদস্য পলাশের বিরুদ্ধে সালিশ ও মামলা ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী ত্রিশাল মডেল থানার ওসির নেতৃত্বে জোরালো অভিযানে ইয়াবাসহ আটক -১ শেরপুর সীমান্তে হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা! নোয়াখালীর গর্ব: বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি (ক্রাইম) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বিকেলের আগেই ৮ জেলায় কালবৈশাখীর হুঁশিয়ারি, বজ্রপাতের ঝুঁকিতে সতর্ক থাকার আহ্বান

বেগমগঞ্জে বিতর্কিত ইউপি সদস্য পলাশের বিরুদ্ধে সালিশ ও মামলা ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক | নোয়াখালী (বেগমগঞ্জ):
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি একটি সুপরিকল্পিত পদ্ধতিতে সাধারণ মানুষকে বিরোধে জড়িয়ে সালিশ ও মামলা কেন্দ্রিক অর্থ আদায়ের একটি চক্র পরিচালনা করছেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সুদ-ঘুষ, কিশোর গ্যাং এবং মাদকাসক্ত কিছু ব্যক্তিকে ব্যবহার করে এলাকায় ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে “প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠন”-এর একটি স্থানীয় কার্যক্রম ও সংগঠনকে তার দলবল দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই সংগঠনের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় দুই–তিন বছর এলাকায় অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের সহায়তা ও উন্নয়নমূলক কাজ চলছিল, যা এখনও সামাজিক মাধ্যমে দৃশ্যমান রয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—একজন জনপ্রতিনিধির দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও কীভাবে গড়ে উঠছে তার বিলাসবহুল ভবন ও জীবনযাপন? অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও চাপ প্রয়োগ করে অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি স্থানীয়দের দাবি, তার বাড়ির সামনের রাস্তাটিও প্রায় ১৫ বছরেও সংস্কার করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পলাশ মেম্বারের মাধ্যমে এলাকায় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বরং দিনের বেলায় নীরব ভূমিকা এবং রাতের বেলায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই হুমকি-ধমকি, এমনকি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ফলে ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পলাশ মেম্বার প্রথমে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধে এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে উসকানি দেন। এরপর সেই বিরোধকে জটিল আকার দিয়ে নিজেই সালিশের দায়িত্ব নেন এবং উভয় পক্ষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেন। অনেক ক্ষেত্রে এক পক্ষকে ব্যবহার করে অন্য পক্ষকে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছু ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের এবং পুলিশি হয়রানির মাধ্যমেও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে গভীর রাতে পুলিশ দিয়ে বাড়ি থেকে লোকজন তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মৃত আবুল হাশেম মিয়ার পরিবার অভিযোগ করে জানায়, একটি পুরনো সম্পত্তি বিরোধ আইনগতভাবে নিষ্পত্তির পরও তাকে নতুন করে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়। তাদের দাবি, একটি ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে মৃত নূর মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়ার মাধ্যমে থানায় অভিযোগ করানো হয়। এরপর গভীর রাতে পুলিশ এনে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পেছনে সুপরিকল্পিত আর্থিক ও সম্পত্তিগত স্বার্থ জড়িত ছিল।
স্থানীয়দের মতে, সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার পর তার কাছে সালিশ বাবদ অর্থ দাবি করা হয়। তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে চাপের মুখে ফেলা হয় এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন দোকান থেকে বাকিতে পণ্য নিয়ে অর্থ পরিশোধ করেন না। টাকা চাইলে উল্টো হুমকি-ধমকি দেন এবং দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখান বলেও স্থানীয়দের দাবি। তার ঘনিষ্ঠ কিছু মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য দিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো এলাকায় এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যাকে তারা “অদৃশ্য শক্তির ছায়া” হিসেবে বর্ণনা করেন।
এদিকে, তার বিরুদ্ধে নিজ পরিবারেও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি আত্মীয়স্বজনের সম্পত্তি দখল এবং পারিবারিক সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ডেও জড়িত।
এলাকার একাধিক ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, অনৈতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত থাকলেও এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।
সাম্প্রতিক অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কিশোর গ্যাং ও মাদকাসক্ত কিছু ব্যক্তিকে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া আইডির মাধ্যমে কুৎসা রটানো, গালাগালি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। প্রতিবাদী কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজিম মিয়াকেও লক্ষ্য করে এমন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন পলাশের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
প্রতিবাদী কণ্ঠের পর্যবেক্ষণ:
একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযোগ শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং পুরো এলাকার সামাজিক স্থিতিশীলতা, ন্যায়বিচার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।
এলাকাবাসীর জোর দাবি—সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করুক

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বেগমগঞ্জে বিতর্কিত ইউপি সদস্য পলাশের বিরুদ্ধে সালিশ ও মামলা ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি একটি সুপরিকল্পিত পদ্ধতিতে সাধারণ মানুষকে বিরোধে জড়িয়ে সালিশ ও মামলা কেন্দ্রিক অর্থ আদায়ের একটি চক্র পরিচালনা করছেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সুদ-ঘুষ, কিশোর গ্যাং এবং মাদকাসক্ত কিছু ব্যক্তিকে ব্যবহার করে এলাকায় ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে “প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠন”-এর একটি স্থানীয় কার্যক্রম ও সংগঠনকে তার দলবল দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই সংগঠনের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় দুই–তিন বছর এলাকায় অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের সহায়তা ও উন্নয়নমূলক কাজ চলছিল, যা এখনও সামাজিক মাধ্যমে দৃশ্যমান রয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—একজন জনপ্রতিনিধির দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও কীভাবে গড়ে উঠছে তার বিলাসবহুল ভবন ও জীবনযাপন? অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও চাপ প্রয়োগ করে অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি স্থানীয়দের দাবি, তার বাড়ির সামনের রাস্তাটিও প্রায় ১৫ বছরেও সংস্কার করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পলাশ মেম্বারের মাধ্যমে এলাকায় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বরং দিনের বেলায় নীরব ভূমিকা এবং রাতের বেলায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই হুমকি-ধমকি, এমনকি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ফলে ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পলাশ মেম্বার প্রথমে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধে এক পক্ষকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে উসকানি দেন। এরপর সেই বিরোধকে জটিল আকার দিয়ে নিজেই সালিশের দায়িত্ব নেন এবং উভয় পক্ষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেন। অনেক ক্ষেত্রে এক পক্ষকে ব্যবহার করে অন্য পক্ষকে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছু ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের এবং পুলিশি হয়রানির মাধ্যমেও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে গভীর রাতে পুলিশ দিয়ে বাড়ি থেকে লোকজন তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মৃত আবুল হাশেম মিয়ার পরিবার অভিযোগ করে জানায়, একটি পুরনো সম্পত্তি বিরোধ আইনগতভাবে নিষ্পত্তির পরও তাকে নতুন করে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়। তাদের দাবি, একটি ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে মৃত নূর মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়ার মাধ্যমে থানায় অভিযোগ করানো হয়। এরপর গভীর রাতে পুলিশ এনে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পেছনে সুপরিকল্পিত আর্থিক ও সম্পত্তিগত স্বার্থ জড়িত ছিল।
স্থানীয়দের মতে, সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার পর তার কাছে সালিশ বাবদ অর্থ দাবি করা হয়। তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে চাপের মুখে ফেলা হয় এবং পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন দোকান থেকে বাকিতে পণ্য নিয়ে অর্থ পরিশোধ করেন না। টাকা চাইলে উল্টো হুমকি-ধমকি দেন এবং দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখান বলেও স্থানীয়দের দাবি। তার ঘনিষ্ঠ কিছু মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য দিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো এলাকায় এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যাকে তারা “অদৃশ্য শক্তির ছায়া” হিসেবে বর্ণনা করেন।
এদিকে, তার বিরুদ্ধে নিজ পরিবারেও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি আত্মীয়স্বজনের সম্পত্তি দখল এবং পারিবারিক সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকাণ্ডেও জড়িত।
এলাকার একাধিক ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, অনৈতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত থাকলেও এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।
সাম্প্রতিক অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কিশোর গ্যাং ও মাদকাসক্ত কিছু ব্যক্তিকে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া আইডির মাধ্যমে কুৎসা রটানো, গালাগালি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। প্রতিবাদী কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজিম মিয়াকেও লক্ষ্য করে এমন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন পলাশের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
প্রতিবাদী কণ্ঠের পর্যবেক্ষণ:
একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযোগ শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং পুরো এলাকার সামাজিক স্থিতিশীলতা, ন্যায়বিচার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।
এলাকাবাসীর জোর দাবি—সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করুক