সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

 ​ভোলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিণের জনপদ দক্ষিণ আইচায় এক ভয়াবহ মাদক ও অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে চিহ্নিত অপরাধী ইব্রাহিম নয়ন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ক্ষমতার দাপটকে পুঁজি করে চলা এই মাদক সম্রাটের ছড়ানো বিষাক্ত থাবায় আজ ধ্বংসের মুখে হাজার হাজার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ উদীয়মান তরুণ সমাজ। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৫ই আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটকে নিজের সুবিধার্থে ব্যবহার করে ইব্রাহিম নয়ন তার অপরাধ সাম্রাজ্যকে আরও বেপরোয়া ও শক্তিশালী করে তুলেছে। কেবল ইয়াবা ও অন্যান্য মরণব্যাধি মাদকের খুচরো ও পাইকারি কারবারই নয়, তার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে মাদকের বড় বড় চালান এবং অবৈধ অস্ত্রের হাতবদল। ​সম্প্রতি দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে বাবুল বেপারী ও হানিফ বেপারী নামে চিহ্নিত দুই মাদক ডিলারকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। তবে এই মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা নয়নকে এখনো স্পর্শ করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ​স্থানীয় সচেতন জনগণের অভিযোগ, ‘আইনের হাত লম্বা’ হলেও নয়নের ক্ষেত্রে তা রহস্যজনকভাবে অকার্যকর। অভিযোগ রয়েছে, কিছুদিন আগে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ এই ইব্রাহিম নয়নকে হাতেনাতে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করেছিল। কিন্তু প্রভাবশালী চক্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও অদৃশ্য রাজনৈতিক সুতার টানে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। ​প্রশাসনের এমন রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে দক্ষিণ আইচাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্পষ্ট দাবি— মূল হোতাকে রাজনৈতিক সুরক্ষার সুযোগ দিয়ে কেবল চুনোপুঁটিদের গ্রেপ্তার করে ‘মাদক নির্মূলের নাটক’ বন্ধ করতে হবে। ​অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একযোগে দাবি জানিয়েছেন, তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় অনতিবিলম্বে এই ‘মাদক সম্রাট’ নয়নকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে। ​অভিযোগের বিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং আমাদের অভিযান প্রতিনিয়ত অব্যাহত রয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বদক্ষিণের জনপদ দক্ষিণ আইচায় এক ভয়াবহ মাদক ও অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে চিহ্নিত অপরাধী ইব্রাহিম নয়ন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ক্ষমতার দাপটকে পুঁজি করে চলা এই মাদক সম্রাটের ছড়ানো বিষাক্ত থাবায় আজ ধ্বংসের মুখে হাজার হাজার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ উদীয়মান তরুণ সমাজ। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৫ই আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটকে নিজের সুবিধার্থে ব্যবহার করে ইব্রাহিম নয়ন তার অপরাধ সাম্রাজ্যকে আরও বেপরোয়া ও শক্তিশালী করে তুলেছে। কেবল ইয়াবা ও অন্যান্য মরণব্যাধি মাদকের খুচরো ও পাইকারি কারবারই নয়, তার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে মাদকের বড় বড় চালান এবং অবৈধ অস্ত্রের হাতবদল। ​সম্প্রতি দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে বাবুল বেপারী ও হানিফ বেপারী নামে চিহ্নিত দুই মাদক ডিলারকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। তবে এই মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা নয়নকে এখনো স্পর্শ করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ​স্থানীয় সচেতন জনগণের অভিযোগ, ‘আইনের হাত লম্বা’ হলেও নয়নের ক্ষেত্রে তা রহস্যজনকভাবে অকার্যকর। অভিযোগ রয়েছে, কিছুদিন আগে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশ এই ইব্রাহিম নয়নকে হাতেনাতে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করেছিল। কিন্তু প্রভাবশালী চক্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও অদৃশ্য রাজনৈতিক সুতার টানে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। ​প্রশাসনের এমন রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে দক্ষিণ আইচাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্পষ্ট দাবি— মূল হোতাকে রাজনৈতিক সুরক্ষার সুযোগ দিয়ে কেবল চুনোপুঁটিদের গ্রেপ্তার করে ‘মাদক নির্মূলের নাটক’ বন্ধ করতে হবে। ​অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একযোগে দাবি জানিয়েছেন, তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় অনতিবিলম্বে এই ‘মাদক সম্রাট’ নয়নকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে। ​অভিযোগের বিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং আমাদের অভিযান প্রতিনিয়ত অব্যাহত রয়েছে