সর্বশেষ
নালিতাবাড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ধরা,পলাতক মুদি দোকানদার আজিম মিঞার প্রতিবাদমূলক পোস্টে বিতর্কিত মন্তব্য, আলোচনায় পারি ফাউন্ডেশনের ফিরোজ আহমেদ পলাশ জামায়েতে ইসলামি যুব বিভাগ নালিতাবাড়ী শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি এসএসসি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা ১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাপাহারে গাছের চারা বিতরণ সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ভোলার চরফ্যাশনে আদালত থেকে জামিন পেলেন মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার

 নিজস্ব প্রতিবেদক,
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

ভোলা। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গত ৫ মে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক মো. আফজাল হোসেন শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ৪ মে তাঁকে একটি মামলায় আটক করে চরফ্যাশন থানা পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষ ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে চরফ্যাশন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে একটি সি আর মামলা যার মামলা নাম্বার ৬৭২/২৫ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিভিন্ন সময় দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর আটক ও পরবর্তী জামিনকে কেন্দ্র করে চরফ্যাশনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী দাবি করেছেন, প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির অভিযোগ নতুন নয়। তাঁদের ভাষ্য, অতীত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্যাতনের শিকার নেতাদের বিরুদ্ধেই আবারও নানা অভিযোগ সামনে আসছে, যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশার জন্ম দিচ্ছে। এদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। সাধারণ নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা স্বার্থসংঘাতের কারণেও কিছু ত্যাগী নেতা চাপে পড়ছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের এমন ঘটনা দলীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে এবং তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মনোবলেও এর প্রতিফলন দেখা দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভোলার চরফ্যাশনে আদালত থেকে জামিন পেলেন মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ভোলা। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গত ৫ মে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক মো. আফজাল হোসেন শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ৪ মে তাঁকে একটি মামলায় আটক করে চরফ্যাশন থানা পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষ ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে চরফ্যাশন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে একটি সি আর মামলা যার মামলা নাম্বার ৬৭২/২৫ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বিভিন্ন সময় দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর আটক ও পরবর্তী জামিনকে কেন্দ্র করে চরফ্যাশনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী দাবি করেছেন, প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির অভিযোগ নতুন নয়। তাঁদের ভাষ্য, অতীত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্যাতনের শিকার নেতাদের বিরুদ্ধেই আবারও নানা অভিযোগ সামনে আসছে, যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশার জন্ম দিচ্ছে। এদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। সাধারণ নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা স্বার্থসংঘাতের কারণেও কিছু ত্যাগী নেতা চাপে পড়ছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের এমন ঘটনা দলীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে এবং তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মনোবলেও এর প্রতিফলন দেখা দিতে পারে।