সর্বশেষ
মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বালিয়াডাঙ্গীতে ৩২ মামলার আসামী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কীর্তনখোলায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি: স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের খানসামায় কৃষকদের মাঝে চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে সহিংসতা-পূর্ব সতর্কতা: আজ রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনার পর জারি করা কারফিউ আজ (শনিবার) রাত ৮টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, “শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। এরপর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”

জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপালগঞ্জের সার্বিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কারফিউ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংঘর্ষ, প্রাণহানি ও কারফিউর পটভূমি

গত বুধবার (১৭ জুলাই) এনসিপির একটি ঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে এনসিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ঘটনার সময় ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনায় গোটা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ পর্যন্ত সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তবে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পুরো শহরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

দফায় দফায় বাড়ছে কারফিউর মেয়াদ

পরদিন বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক জরুরি ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রথম দফায় কারফিউর মেয়াদ বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত করা হয়। ওইদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ আংশিক শিথিল ছিল।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় কারফিউ বাড়িয়ে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত করা হয়। শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসক ঘোষণা দেন, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে।

চলমান অবস্থা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও থমথমে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আবারও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গোপালগঞ্জে সহিংসতা-পূর্ব সতর্কতা: আজ রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনার পর জারি করা কারফিউ আজ (শনিবার) রাত ৮টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, “শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। এরপর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”

জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপালগঞ্জের সার্বিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কারফিউ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংঘর্ষ, প্রাণহানি ও কারফিউর পটভূমি

গত বুধবার (১৭ জুলাই) এনসিপির একটি ঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে এনসিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ঘটনার সময় ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনায় গোটা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ পর্যন্ত সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তবে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পুরো শহরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

দফায় দফায় বাড়ছে কারফিউর মেয়াদ

পরদিন বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক জরুরি ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রথম দফায় কারফিউর মেয়াদ বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত করা হয়। ওইদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ আংশিক শিথিল ছিল।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় কারফিউ বাড়িয়ে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত করা হয়। শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসক ঘোষণা দেন, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে।

চলমান অবস্থা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও থমথমে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আবারও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।