সর্বশেষ
মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বালিয়াডাঙ্গীতে ৩২ মামলার আসামী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কীর্তনখোলায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি: স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের খানসামায় কৃষকদের মাঝে চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে প্রেমিককে ডেকে নিয়ে নৃশংস নির্যাতন, তুলে নেওয়া হলো হাত-পায়ের নখ

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫ ৯০ বার পড়া হয়েছে


চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় এক যুবককে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতনের শিকার করেছেন প্রেমিকার পরিবারের সদস্যরা। মারধরের পাশাপাশি তাকে বেঁধে হাত-পায়ের আঙুলের নখ তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিল খাঁর হাট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ঘটে ভয়াবহ এই নির্যাতনের ঘটনা।

আহত প্রেমিক মো. আলমগীর (২৫) বড়উঠান ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহমীরপুর এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি একজন বাসচালক এবং বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমগীর বিয়ের আগে থেকেই বড়উঠান মিয়ারহাট এলাকার গার্মেন্টসকর্মী হাবিবা আক্তারের (২৩) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। তবে পারিবারিক অমতেই তাদের মধ্যে বিয়ে হয়নি। পরে আলমগীর অন্যত্র বিয়ে করলেও হাবিবার সঙ্গে তার যোগাযোগ চলমান ছিল।

গত শুক্রবার রাতে প্রেমিকা হাবিবা মোবাইল ফোনে আলমগীরকে ডেকে নেন তাদের ভাড়া বাসায়। সেখানে তাকে রাতভর আটকে রেখে হাবিবার মা, দুই ভাই, দুই বোন এবং তাদের দুই জামাই মিলে কাপড় দিয়ে চোখ ও হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন। এক পর্যায়ে নৃশংসভাবে হাত-পায়ের আঙুলের নখ উঠিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলমগীরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় এবং অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শরীফ জানান, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এক প্রেমিকের প্রতি এতটা নির্মম আচরণে হতবাক স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামে প্রেমিককে ডেকে নিয়ে নৃশংস নির্যাতন, তুলে নেওয়া হলো হাত-পায়ের নখ

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫


চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় এক যুবককে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতনের শিকার করেছেন প্রেমিকার পরিবারের সদস্যরা। মারধরের পাশাপাশি তাকে বেঁধে হাত-পায়ের আঙুলের নখ তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিল খাঁর হাট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ঘটে ভয়াবহ এই নির্যাতনের ঘটনা।

আহত প্রেমিক মো. আলমগীর (২৫) বড়উঠান ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহমীরপুর এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি একজন বাসচালক এবং বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমগীর বিয়ের আগে থেকেই বড়উঠান মিয়ারহাট এলাকার গার্মেন্টসকর্মী হাবিবা আক্তারের (২৩) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। তবে পারিবারিক অমতেই তাদের মধ্যে বিয়ে হয়নি। পরে আলমগীর অন্যত্র বিয়ে করলেও হাবিবার সঙ্গে তার যোগাযোগ চলমান ছিল।

গত শুক্রবার রাতে প্রেমিকা হাবিবা মোবাইল ফোনে আলমগীরকে ডেকে নেন তাদের ভাড়া বাসায়। সেখানে তাকে রাতভর আটকে রেখে হাবিবার মা, দুই ভাই, দুই বোন এবং তাদের দুই জামাই মিলে কাপড় দিয়ে চোখ ও হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন। এক পর্যায়ে নৃশংসভাবে হাত-পায়ের আঙুলের নখ উঠিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলমগীরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় এবং অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শরীফ জানান, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এক প্রেমিকের প্রতি এতটা নির্মম আচরণে হতবাক স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।