রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমবাগানের ১০১টি গাছ কেটে সাবাড়, থানায় মামলা
- আপডেট সময় : ০৪:৩৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একটি ফলবান আমবাগানের ১০১টি আম্রপালি আমগাছ কেটে ও উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাগান মালিক। একই সঙ্গে গাছ চুরির অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে আসামি করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার রায়পাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. রিয়াজুল ইসলাম (৫৩) প্রায় ৪০ বছর আগে গোদাগাড়ী উপজেলার ৫ নম্বর গোগ্রাম ইউনিয়নের গোগ্রাম মৌজায় ১৬৬ শতক জমি ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে তিনি একটি ফলবান আম্রপালি আমবাগান গড়ে তোলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে গত ৩ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে আমবাগানে অনধিকার প্রবেশ করে। পরে তারা পরিকল্পিতভাবে বাগানের ১০১টি ফলবান আম্রপালি গাছ গোড়া থেকে কেটে ও উপড়ে ফেলে এবং সেগুলো নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীর দাবি, এ ঘটনায় তার প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। পরদিন বাগানে গিয়ে তিনি ও স্থানীয়রা গাছগুলো কাটা ও উপড়ে ফেলার ঘটনা দেখতে পান। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কাছে জানতে চাইলে তারা ভুক্তভোগীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি দখল করে নেওয়ারও হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর মো. রিয়াজুল ইসলাম গোদাগাড়ী মডেল থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ১৪৩, ৪৪৭, ৪২৭, ৩৭৯, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে। মামলার নম্বর-০৭ (তারিখ: ০৫ জুলাই ২০২৬) এবং জি.আর. নম্বর-১৯২/২৬ (গোদাগাড়ী)। এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “ঘটনার বিষয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।



















