সেবার অঙ্গীকারে দেড় দশক: মা ও শিশুস্বাস্থ্যসেবায় আবু তাইয়্যব মজুমদারের পেশাগত যাত্রা
- আপডেট সময় : ১২:১৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
স্বাস্থ্যসেবা এমন একটি খাত, যেখানে প্রতিদিনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই খাতে দক্ষ ব্যবস্থাপনা, সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ এবং সেবার মান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রতিষ্ঠান-প্রধানরা। সাভারের বাইপাইল ডিইপিজেড রোডে অবস্থিত মেরী স্টোপস ক্লিনিকের ম্যানেজার আবু তাইয়্যব মজুমদার দীর্ঘদিন ধরে সেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
১৯৭৮ সালের ১ মার্চ ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার মটুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশবের শিক্ষা শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। সেখান থেকে ২০০৬ সালে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস সম্পন্ন করেন।
পড়াশোনা শেষ করে স্বাস্থ্যসেবা খাতে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ২০১১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত মেরী স্টোপস ইন্টারন্যাশনালে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে তার কর্মজীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে কর্মদক্ষতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতার ভিত্তিতে ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর তাকে বাইপাইল শাখার ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এরপর থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা, সেবার গুণগত মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য একটি সুশৃঙ্খল স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় তার অভিজ্ঞতা ১৫ বছরের।
ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার নেতৃত্বে পরিচালিত বাইপাইলের মেরী স্টোপস ক্লিনিক মা ও শিশুস্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবায় অবদানের জন্য সাভার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কাছ থেকে ২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে শ্রেষ্ঠ বেসরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়ে আসছে।
সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়, দায়িত্বশীল কর্মপরিবেশ বজায় রাখা এবং সেবাগ্রহীতাদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করাকে তিনি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন বলে প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্টরা জানান। স্বাস্থ্যসেবার মান ধরে রাখতে তিনি নিয়মিতভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করে থাকেন।
মা ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্বশীল কর্মসম্পাদনের মাধ্যমে আবু তাইয়্যব মজুমদার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় নিজের একটি ধারাবাহিক কর্মপরিচয় গড়ে তুলেছেন। তার এই দীর্ঘ কর্মযাত্রা স্বাস্থ্যসেবা খাতে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের গুরুত্বকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।


















