সর্বশেষ
কাতারে জুড়ী প্রবাসীদের বাৎসরিক বনভোজন ও মিলনমেলা সম্পন্ন লাঠিটিলার সংরক্ষিত বনভূমি দখল ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ০২জন আসামীসহ মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী মালামাল আটক শেরপুরে আইবিডব্লিউ এফের ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন পাঁচ উপজেলার তিন শতাধিক ব্যবসায়ী, কুবি প্রেস ক্লাবের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু রাজশাহী বইমেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় দর্শনার্থীর ভিড়, বই বিক্রিতে হতাশা শেরপুরে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন গ্রেপ্তার ৫ জন রাজশাহী সিমান্তে ভারতীয় মদ, ট্যাবলেট ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ পুলিশ পরিচয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের তল্লাশি, ছিনতাইকারী সন্দেহে তিনজনকে ক্যাম্পাসে এনে প্রক্টর অফিসে সমঝোতা চট্টগ্রামে টিচার্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

লাঠিটিলার সংরক্ষিত বনভূমি দখল ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

 মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

 

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাঠিটিলা ফরেস্ট এলাকার সংরক্ষিত বনভূমি দখল, অবৈধভাবে আবাদ ও স্থাপনা নির্মাণ, গাছ কর্তন, বনজ সম্পদ ধ্বংস এবং হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ বনাঞ্চলে প্রবেশ, পাহাড়ের গভীরে বহিরাগতদের আনাগোনা, কথিত মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহ, ও প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ পাঠিয়েছেন গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের শুকনাছড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান।

অভিযোগো শুকনা ছড়া গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে মো. রইছ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন বিভাগের জমি দখল ও ব্যবহারের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আনুমানিক ২০ হেক্টর বনভূমি দখলের কথা বলা হয়েছে। এ জন্য বন বিভাগ ও ভূমি প্রশাসনের সমন্বয়ে জরিপ এবং সরকারি নথিপত্র যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, লাঠিটিলা ফরেস্ট একটি পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকা। এর উল্লেখযোগ্য অংশ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বা সংরক্ষিত বনভূমির অন্তর্ভুক্ত বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়। বনভূমির গহীন এলাকায় প্রায় ২০ (বিশ) হেক্টর জমি কৃষিকাজ বা অন্যান্য কাজে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি গাছ কর্তন, বনজ সম্পদ সংগ্রহ ও অপসারণের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকার, ফাঁদ পাতা ও হত্যার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বন বিভাগ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিশেষায়িত তদন্তের অনুরোধ করা হয়েছে।

বনাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় অস্ত্র বা বন্দুক নিয়ে লোকজনের চলাচল, পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত একটি বাড়িতে বহিরাগতদের আনাগোনা এবং কথিত মাদকদ্রব্য সেবন বা সংরক্ষণের অভিযোগও স্থান পেয়েছে। এছাড়াও লাইসেন্সবিহীন অবৈধ রাইফেল রয়োছে তার রিকট। এসব বিষয়ে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে গোপনীয়ভাবে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযোগগুলোর সঙ্গে সরকারি বনভূমির সীমানা ও মালিকানা, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, ভূমি প্রশাসন, অস্ত্র, মাদকদ্রব্য এবং স্থানীয় জননিরাপত্তার বিষয় জড়িত।

অভিযোগে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সরেজমিন তদন্ত, বনভূমির সীমানা নির্ধারণ, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও মৌজা ম্যাপ যাচাই এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। সেখানে পাহাড়ের গভীরে ভারত সীমান্তসংলগ্ন টিলায় রয়েছে অভিযুক্ত রইছ উদ্দিনের বসতভিটা ও অর্ধশতাধিক গরু নিয়ে এগ্রো ফার্ম এবং পাহাড়ের গভীর অরন্যে থাকা বিশালাকৃতির আন্ডর যাহা ৯০ দশকের সময়ে সুরমা ছড়া বাশমহাল সহ পাহাড়ের সকল বাশ ও গাছ এই আন্ডরসমূহ থেকে নদীপথে বের করা হতো। উক্ত আন্ডরসমূহ দীর্ঘদিন যাবত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া মাছ চাষের ফিশারী হিসেবে তৈরি করে কোটি কোটি টাকার মৎস্য ব্যবসা করে আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে লাঠিটিলা ফরেস্টের প্রকৃত পরিস্থিতি উদ্ঘাটন এবং সরকারি বনভূমি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাঠিটিল্লা পাহাড়ের সংরক্ষিত বন এলাকার ৫-৬ কিলোমিটার গভীরে অভিযুক্ত রইছ উদ্দিনের মালিকানাধিন পাকাবাড়ি রয়েছে। সেখানে তার ১স্ত্রী ও ছেলেমেয়েসহ বিগত ২৫-২৬ বছর থেকে বসবাস করে আসছেন।সেখানে তার দখলে বিশাল বিশাল একাধিক আন্ডর ও ফিশারী রয়েছে। রয়েছে গরুর খামার। পাহাড়ের গভীরে উচু টিলায় বসতঘর নির্মান করে বাড়ীর সীমানা সংলগ্ন বাউন্ডারি অভিনব কায়দায় গভীর নালা খননের মাধ্যমে তৈরি করেছেন। শুকনা ছড়া গ্রামে তার পুরাতন বাড়ীতে রয়েছে আরো একটি পরিবার। উভয় বাড়ী সংরক্ষিত বন এলাকার অভ্যন্তরে।

বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬ অনুযায়ী বন অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো অবৈধ দখল প্রতিরোধ করা এবং প্রয়োজনে উচ্ছেদ করা।

এবিষয়ে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম জানান, পাহাড়ের ৬/৭ কিলোমিটার গভীরে রইছ উদ্দিন বিগত ২৩/২৪ বছর বাড়ীঘর তৈরি করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বনভূমির অবৈধ দখল প্রতিরোধ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের অবগত করেছি।

এবিষয়ে জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের কপি পেয়েছি। আমরা আইনীভাবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রইছ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এবিষয়ে কিছুই বলতে চাননি তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে তিনি আদালতে মামলা করবেন বলে জানান। রইছ উদ্দিন আরো বলেন, পাহাড়ের গভীরে আগে রিজার্ভ ফরেস্টের গাছ চুরি হতো। ভিলেজার হিসেবে আমি সেখানে থাকায় চুরি বন্ধ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

লাঠিটিলার সংরক্ষিত বনভূমি দখল ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

 

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাঠিটিলা ফরেস্ট এলাকার সংরক্ষিত বনভূমি দখল, অবৈধভাবে আবাদ ও স্থাপনা নির্মাণ, গাছ কর্তন, বনজ সম্পদ ধ্বংস এবং হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ বনাঞ্চলে প্রবেশ, পাহাড়ের গভীরে বহিরাগতদের আনাগোনা, কথিত মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহ, ও প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ পাঠিয়েছেন গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের শুকনাছড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান।

অভিযোগো শুকনা ছড়া গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে মো. রইছ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন বিভাগের জমি দখল ও ব্যবহারের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আনুমানিক ২০ হেক্টর বনভূমি দখলের কথা বলা হয়েছে। এ জন্য বন বিভাগ ও ভূমি প্রশাসনের সমন্বয়ে জরিপ এবং সরকারি নথিপত্র যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, লাঠিটিলা ফরেস্ট একটি পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকা। এর উল্লেখযোগ্য অংশ বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বা সংরক্ষিত বনভূমির অন্তর্ভুক্ত বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়। বনভূমির গহীন এলাকায় প্রায় ২০ (বিশ) হেক্টর জমি কৃষিকাজ বা অন্যান্য কাজে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি গাছ কর্তন, বনজ সম্পদ সংগ্রহ ও অপসারণের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকার, ফাঁদ পাতা ও হত্যার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বন বিভাগ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিশেষায়িত তদন্তের অনুরোধ করা হয়েছে।

বনাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় অস্ত্র বা বন্দুক নিয়ে লোকজনের চলাচল, পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত একটি বাড়িতে বহিরাগতদের আনাগোনা এবং কথিত মাদকদ্রব্য সেবন বা সংরক্ষণের অভিযোগও স্থান পেয়েছে। এছাড়াও লাইসেন্সবিহীন অবৈধ রাইফেল রয়োছে তার রিকট। এসব বিষয়ে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে গোপনীয়ভাবে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযোগগুলোর সঙ্গে সরকারি বনভূমির সীমানা ও মালিকানা, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, ভূমি প্রশাসন, অস্ত্র, মাদকদ্রব্য এবং স্থানীয় জননিরাপত্তার বিষয় জড়িত।

অভিযোগে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সরেজমিন তদন্ত, বনভূমির সীমানা নির্ধারণ, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও মৌজা ম্যাপ যাচাই এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। সেখানে পাহাড়ের গভীরে ভারত সীমান্তসংলগ্ন টিলায় রয়েছে অভিযুক্ত রইছ উদ্দিনের বসতভিটা ও অর্ধশতাধিক গরু নিয়ে এগ্রো ফার্ম এবং পাহাড়ের গভীর অরন্যে থাকা বিশালাকৃতির আন্ডর যাহা ৯০ দশকের সময়ে সুরমা ছড়া বাশমহাল সহ পাহাড়ের সকল বাশ ও গাছ এই আন্ডরসমূহ থেকে নদীপথে বের করা হতো। উক্ত আন্ডরসমূহ দীর্ঘদিন যাবত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া মাছ চাষের ফিশারী হিসেবে তৈরি করে কোটি কোটি টাকার মৎস্য ব্যবসা করে আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে লাঠিটিলা ফরেস্টের প্রকৃত পরিস্থিতি উদ্ঘাটন এবং সরকারি বনভূমি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, লাঠিটিল্লা পাহাড়ের সংরক্ষিত বন এলাকার ৫-৬ কিলোমিটার গভীরে অভিযুক্ত রইছ উদ্দিনের মালিকানাধিন পাকাবাড়ি রয়েছে। সেখানে তার ১স্ত্রী ও ছেলেমেয়েসহ বিগত ২৫-২৬ বছর থেকে বসবাস করে আসছেন।সেখানে তার দখলে বিশাল বিশাল একাধিক আন্ডর ও ফিশারী রয়েছে। রয়েছে গরুর খামার। পাহাড়ের গভীরে উচু টিলায় বসতঘর নির্মান করে বাড়ীর সীমানা সংলগ্ন বাউন্ডারি অভিনব কায়দায় গভীর নালা খননের মাধ্যমে তৈরি করেছেন। শুকনা ছড়া গ্রামে তার পুরাতন বাড়ীতে রয়েছে আরো একটি পরিবার। উভয় বাড়ী সংরক্ষিত বন এলাকার অভ্যন্তরে।

বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬ অনুযায়ী বন অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো অবৈধ দখল প্রতিরোধ করা এবং প্রয়োজনে উচ্ছেদ করা।

এবিষয়ে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম জানান, পাহাড়ের ৬/৭ কিলোমিটার গভীরে রইছ উদ্দিন বিগত ২৩/২৪ বছর বাড়ীঘর তৈরি করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বনভূমির অবৈধ দখল প্রতিরোধ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের অবগত করেছি।

এবিষয়ে জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের কপি পেয়েছি। আমরা আইনীভাবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রইছ উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এবিষয়ে কিছুই বলতে চাননি তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে তিনি আদালতে মামলা করবেন বলে জানান। রইছ উদ্দিন আরো বলেন, পাহাড়ের গভীরে আগে রিজার্ভ ফরেস্টের গাছ চুরি হতো। ভিলেজার হিসেবে আমি সেখানে থাকায় চুরি বন্ধ হয়েছে।