মধ্যম নরোত্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে সরব এলাকাবাসী।
- আপডেট সময় : ০৩:১১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত মধ্যম নরোত্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানা অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয়দের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টি অপেক্ষাকৃত নির্জন ও জনবিচ্ছিন্ন এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে মানুষের চলাচল সীমিত। এই সুযোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তর ও আশপাশে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদকসেবনের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়টির সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন রয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় অসাধু ব্যক্তিরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে বিভিন্ন অপকর্মের জন্য ব্যবহার করছে বলে দাবি তাদের। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও শিক্ষার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারজাহানকে ঘিরেও বিভিন্ন অনিয়ম, প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা এবং একক আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নতুন নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরেই এসব বিষয় নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা কার্যকর পদক্ষেপ এখনো চোখে পড়েনি বলে দাবি করেছেন তারা।
এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযোগসমূহের নিরপেক্ষ তদন্ত করা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মারজাহান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা চলছে। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।









