সর্বশেষ
পহেলা বৈশাখে প্রকাশ্যে রঙ লাগানোর ঘটনায় বিতর্ক, সামাজিক ও ধর্মীয় মহলের উদ্বেগ কারওয়ান বাজারে বয়োজ্যেষ্ঠের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ফেক আইডি ও অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও বার্ষিক মিলাদ মাহফিল-২০২৬ অনুষ্ঠিত” ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত নলডাঙ্গাবাসীর পাশে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ, আর্থিক সহায়তা বিতরণ তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, সেচ সংকটে বিপাকে কৃষক কবিরাজির ফাঁদে ভয়ংকর প্রতারণা: কিশোরীর কাছ থেকে স্বর্ণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়া, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৩ চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে কৃষক ও শিক্ষার্থীর মৃত্যু, দুই পরিবারে শোকের মাতম বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় তৃণমূল উদ্যোগ: ৩৮ নং ওয়ার্ডে হাম-বসন্ত প্রতিরোধে বৃহৎ বিনামূল্যে চিকিৎসা কার্যক্রম চৌমুহনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

‘বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?’—মেয়ের কান্নায় বিহ্বল জনগণ

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হন। দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। সেই পারভেজ হোসেনের কিশোরী কন্যা আদিবা ইসলাম হৃদি মঙ্গলবার (১ জুলাই) যখন আবেগভরা কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন—“আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?”—তখন স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারদের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

আদিবা হৃদির আবেগঘন বক্তব্য চলাকালীন জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা যায়—তারেক রহমান বারবার চশমার আড়াল দিয়ে চোখ মুছছেন। তিনি সরাসরি কিছু করতে না পারলেও চোখের অশ্রু দিয়ে যেন ভাগ করে নিচ্ছিলেন হারানো বাবার জন্য মেয়ের কষ্ট।

অনুষ্ঠানে শুধু হৃদি নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরাও তাদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। কেউ বললেন সন্তান হারানোর বেদনার কথা, কেউ জানালেন আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার গল্প।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের বেদনা নয়, তুলে ধরেন অন্য শহীদ পরিবারের দীর্ঘশ্বাসও। তিনি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানান—নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?’—মেয়ের কান্নায় বিহ্বল জনগণ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হন। দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। সেই পারভেজ হোসেনের কিশোরী কন্যা আদিবা ইসলাম হৃদি মঙ্গলবার (১ জুলাই) যখন আবেগভরা কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন—“আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?”—তখন স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারদের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

আদিবা হৃদির আবেগঘন বক্তব্য চলাকালীন জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা যায়—তারেক রহমান বারবার চশমার আড়াল দিয়ে চোখ মুছছেন। তিনি সরাসরি কিছু করতে না পারলেও চোখের অশ্রু দিয়ে যেন ভাগ করে নিচ্ছিলেন হারানো বাবার জন্য মেয়ের কষ্ট।

অনুষ্ঠানে শুধু হৃদি নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরাও তাদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। কেউ বললেন সন্তান হারানোর বেদনার কথা, কেউ জানালেন আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার গল্প।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের বেদনা নয়, তুলে ধরেন অন্য শহীদ পরিবারের দীর্ঘশ্বাসও। তিনি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানান—নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হোক।