সর্বশেষ
পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা বার্তা সামি প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে ব্যবসায়ী সমাজের উদ্দেশ্যে সম্মানিত ব্যবসায়ী ভাই ও বোনেরা, পহেলা বৈশাখের কলম সম্মানিত আজীবন সদস্যদের উদ্দেশ্যে | প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির বার্তা প্রিয় আজীবন সদস্যবৃন্দ, পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা বার্তা 🌼 ​ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম গাফিলতি আবেদন করেও মিলছে না প্রতিকার, মরণফাঁদে সাধারণ মানুষ সম্পাদকীয় কলম | পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও নতুন প্রত্যয়ের প্রতীক ফুলপুর নব দিগন্ত মডেল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে নিকলীতে ফসলি জমি কেটে মাটি উত্তোলন: যুবককে ১ লাখ টাকা জরিমানা পত্নীতলায় ৭০ বোতল ভারতীয় মাদক ‘ESKUF’সহ ডিলার আটক, ইজিবাইক জব্দ নোয়াখালীতে শোকের ছায়া: প্রবীণ শিক্ষক ইসমাইল মাস্টার আর নেই আখাউড়ায় পুলিশের অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজন আটক, জব্দ অটোরিকশা

​ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম গাফিলতি আবেদন করেও মিলছে না প্রতিকার, মরণফাঁদে সাধারণ মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

 ​চরফ্যাশন ফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধ। ​ভোলার চরফ্যাশনসহ বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি ও ফল বাগানের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ সাদা কাগজে লিখিত আবেদন নিয়ে বছরের পর বছর অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তা আমলে নিচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একের পর এক তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে, তছনছ হয়ে যাচ্ছে সাজানো সংসার। সম্প্রতি চরফ্যাশন জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বরাবর মো. জাহাঙ্গীর নামের এক ভুক্তভোগী একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার বসতবাড়ির সুপারি ও নারিকেল বাগানের ওপর দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের ‘এসটি’ (HT) লাইন চলে গেছে। এর ফলে বাগানের ফল সংগ্রহ করা যেমন অসম্ভব হয়ে পড়েছে, তেমনি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ​দুঃখজনক বিষয় হলো, এই আবেদন করার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ লাইনটি সংস্কার বা কাভার ক্যাবল স্থাপনের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট অফিসের ফাইলের নিচে বছরের পর বছর পড়ে থাকে অথবা ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। ​ স্থানীয়দের দাবি, ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবকিছু তাদের নিজস্ব মর্জিমাফিক চালান। তাদের খামখেয়ালিপনার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সন্তান হারাচ্ছে মা-কে, স্বামী হারাচ্ছে স্ত্রীকে। জেলা ভোলার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার চেয়ে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খেয়ালখুশিই যেন এখানে মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিকবার অফিসের দ্বারস্থ হয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে সাধারণ মানুষের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। বিদ্যুৎ লাইনের এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা এবং জনদুর্ভোগের বিষয়ে জানতে ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহ্‌ মোঃ রাজ্জাকুর রহমান-এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দায়িত্বশীল পদের এমন ব্যক্তি ফোন রিসিভ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। ​ ভোলার সাধারণ মানুষ অবিলম্বে এই ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনগুলো সংস্কার এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাভার ক্যাবল স্থাপনের দাবি জানাচ্ছেন। সেই সাথে যারা লিখিত আবেদন পাওয়ার পরেও দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

​ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম গাফিলতি আবেদন করেও মিলছে না প্রতিকার, মরণফাঁদে সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

 ​চরফ্যাশন ফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধ। ​ভোলার চরফ্যাশনসহ বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি ও ফল বাগানের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ সাদা কাগজে লিখিত আবেদন নিয়ে বছরের পর বছর অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তা আমলে নিচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একের পর এক তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে, তছনছ হয়ে যাচ্ছে সাজানো সংসার। সম্প্রতি চরফ্যাশন জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বরাবর মো. জাহাঙ্গীর নামের এক ভুক্তভোগী একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার বসতবাড়ির সুপারি ও নারিকেল বাগানের ওপর দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিদ্যুতের ‘এসটি’ (HT) লাইন চলে গেছে। এর ফলে বাগানের ফল সংগ্রহ করা যেমন অসম্ভব হয়ে পড়েছে, তেমনি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ​দুঃখজনক বিষয় হলো, এই আবেদন করার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ লাইনটি সংস্কার বা কাভার ক্যাবল স্থাপনের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট অফিসের ফাইলের নিচে বছরের পর বছর পড়ে থাকে অথবা ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। ​ স্থানীয়দের দাবি, ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবকিছু তাদের নিজস্ব মর্জিমাফিক চালান। তাদের খামখেয়ালিপনার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সন্তান হারাচ্ছে মা-কে, স্বামী হারাচ্ছে স্ত্রীকে। জেলা ভোলার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার চেয়ে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খেয়ালখুশিই যেন এখানে মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিকবার অফিসের দ্বারস্থ হয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে সাধারণ মানুষের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। বিদ্যুৎ লাইনের এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা এবং জনদুর্ভোগের বিষয়ে জানতে ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহ্‌ মোঃ রাজ্জাকুর রহমান-এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দায়িত্বশীল পদের এমন ব্যক্তি ফোন রিসিভ না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। ​ ভোলার সাধারণ মানুষ অবিলম্বে এই ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনগুলো সংস্কার এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাভার ক্যাবল স্থাপনের দাবি জানাচ্ছেন। সেই সাথে যারা লিখিত আবেদন পাওয়ার পরেও দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।