সর্বশেষ
নালিতাবাড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ধরা,পলাতক মুদি দোকানদার আজিম মিঞার প্রতিবাদমূলক পোস্টে বিতর্কিত মন্তব্য, আলোচনায় পারি ফাউন্ডেশনের ফিরোজ আহমেদ পলাশ জামায়েতে ইসলামি যুব বিভাগ নালিতাবাড়ী শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি এসএসসি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা ১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাপাহারে গাছের চারা বিতরণ সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিবন্ধীদের নামে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া এলাকায় প্রতিবন্ধী আয়নাল হক, হায়দার আলী, শারমীন ও আব্দুর রশীদের নামে প্রায় ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার ঋণ উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একটি এনজিওর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অত্যন্ত দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী হওয়ায় তারা নিজেরাই আদালতে হাজিরা বা মামলা পরিচালনার খরচ বহন করতে অক্ষম। অভিযোগ রয়েছে, তাদের নাম ব্যবহার করে বড় অঙ্কের ঋণ তোলা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগীরা তারা নন।


ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও সামাজিকভাবে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অভিযোগকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, “যেখানে ক্ষুদ্র ঋণ নিতে গেলে কঠোর যাচাই-বাছাই করা হয়, সেখানে কীভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নামে এত বড় অঙ্কের ঋণ অনুমোদিত হলো?”
অভিযোগে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট এনজিওর কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে এটিকে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন।


এদিকে, ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তদন্তে আগ্রহী কয়েকজন আইনজীবী। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং পুরো ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীদের একজন ঘনিষ্ঠভাবে বিষয়টি দেখছেন এমন এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি পুরো মামলাটি অনুসরণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন, যাতে কোনো নিরীহ মানুষ অন্যায়ের শিকার না হন।
এ ঘটনায় এখনো তদন্ত চলমান রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রতিবন্ধীদের নামে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া এলাকায় প্রতিবন্ধী আয়নাল হক, হায়দার আলী, শারমীন ও আব্দুর রশীদের নামে প্রায় ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার ঋণ উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একটি এনজিওর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অত্যন্ত দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী হওয়ায় তারা নিজেরাই আদালতে হাজিরা বা মামলা পরিচালনার খরচ বহন করতে অক্ষম। অভিযোগ রয়েছে, তাদের নাম ব্যবহার করে বড় অঙ্কের ঋণ তোলা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগীরা তারা নন।


ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও সামাজিকভাবে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অভিযোগকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, “যেখানে ক্ষুদ্র ঋণ নিতে গেলে কঠোর যাচাই-বাছাই করা হয়, সেখানে কীভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নামে এত বড় অঙ্কের ঋণ অনুমোদিত হলো?”
অভিযোগে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট এনজিওর কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে এটিকে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন।


এদিকে, ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তদন্তে আগ্রহী কয়েকজন আইনজীবী। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং পুরো ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীদের একজন ঘনিষ্ঠভাবে বিষয়টি দেখছেন এমন এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি পুরো মামলাটি অনুসরণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন, যাতে কোনো নিরীহ মানুষ অন্যায়ের শিকার না হন।
এ ঘটনায় এখনো তদন্ত চলমান রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।