সর্বশেষ
ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌর এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ​যশোরে ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক পরিবেশ রক্ষায় রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ প্রফেসর ড. মো. সিরাজ উদ্দিনের বিদায়ে আবেগঘন রাজশাহী কলেজ শহীদদের স্মরণে শিবিরের মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন, সেবা নিলেন শতাধিক শিক্ষার্থী ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় পৌর এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রামের মানববন্ধনে শফিকের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি পাওনা ৬২ হাজার টাকা আদায়ে ভুক্তভোগীর আকুতি, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

পাওনা ৬২ হাজার টাকা আদায়ে ভুক্তভোগীর আকুতি, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর রায়েরবাগ খানকা শরীফ রোড এলাকার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগ তুলেছেন এক ইঞ্জিনিয়ার। দুই বছর ধরে বারবার তাগাদা দিয়েও পাওনা না পেয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত পাওনা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ, যিনি ট্রাস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশন অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টার-এর স্বত্বাধিকারী। তার অভিযোগ, ২০২৪ সালে তিনি এপিক প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বিভিন্ন শিল্পযন্ত্রের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহের কাজ সম্পন্ন করেন।
তার দাবি, কাজ শেষে মোট বিলের একটি অংশ পরিশোধ করা হলেও ৬২ হাজার টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে। গত দুই বছরে একাধিকবার পাওনা অর্থ দাবি করা হলেও প্রতিবারই বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে। সর্বশেষ অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি জানান।
অভিযোগে এপিক প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রোপ্রাইটর মো. কামাল মজুমদার-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রায়েরবাগ খানকা শরীফ রোড, ঢাকা।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, পাওনা আদায়ের জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহুবার যোগাযোগ করেছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেও অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় এখন আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আমার সামনে আর কোনো পথ নেই।”
সম্পাদকের মন্তব্য: এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাওনা ৬২ হাজার টাকা আদায়ে ভুক্তভোগীর আকুতি, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৩:২০:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর রায়েরবাগ খানকা শরীফ রোড এলাকার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগ তুলেছেন এক ইঞ্জিনিয়ার। দুই বছর ধরে বারবার তাগাদা দিয়েও পাওনা না পেয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুত পাওনা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ, যিনি ট্রাস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশন অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টার-এর স্বত্বাধিকারী। তার অভিযোগ, ২০২৪ সালে তিনি এপিক প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বিভিন্ন শিল্পযন্ত্রের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহের কাজ সম্পন্ন করেন।
তার দাবি, কাজ শেষে মোট বিলের একটি অংশ পরিশোধ করা হলেও ৬২ হাজার টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে। গত দুই বছরে একাধিকবার পাওনা অর্থ দাবি করা হলেও প্রতিবারই বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে। সর্বশেষ অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি জানান।
অভিযোগে এপিক প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রোপ্রাইটর মো. কামাল মজুমদার-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রায়েরবাগ খানকা শরীফ রোড, ঢাকা।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, পাওনা আদায়ের জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহুবার যোগাযোগ করেছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেও অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় এখন আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আমার সামনে আর কোনো পথ নেই।”
সম্পাদকের মন্তব্য: এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।