সর্বশেষ
স্মরণীয় রহমতগঞ্জবাসীর কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণ ২০২৬ শাহ্ রজায়ী (রহঃ) ওরস: ওষখাইনে প্রস্তুতি তুঙ্গে গাইবান্ধায় রেড ক্রিসেন্টের স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার নোয়াখালী জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মাবুদ (দুলাল) রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়িত কুমিল্লায় সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের মৃত্যু বেগমগঞ্জে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে যুবদল নেতার পরিচয়ে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, উদ্বেগ সাংবাদিক মহলে নোয়াখালীতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী পিতার পাইওনিয়ার ফুটবল লীগ অনূর্ধ্ব-১৬ খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্ঠিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা মঞ্জুরুল আজিম সুমন সোনাইমুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন উপস্থিতি সংকটে তীব্র অসন্তোষ

নোয়াখালীতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী পিতার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে। নিহত সাদিয়া ইসলাম সুমার পিতা প্রবাসী মোঃ সুজন ঢালী এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে সামসুল কবির রাসেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাদিয়া ইসলাম সুমা। বিয়ের পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে পরিবারের অভিযোগ।
ভুক্তভোগী পিতার দাবি, ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়া এলাকায় একটি বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে সুমাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করতে তার মরদেহ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সৌদি আরব প্রবাসী পিতা সুজন ঢালী অভিযোগ করেন, তিনি প্রবাস থেকে বিভিন্ন পত্রিকা ও জাতীয় গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। এমনকি চাটখিল থানা-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উল্টো তাকে হয়রানির অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তাহলে কি আমার মেয়ের নৃশংস হত্যার বিচার আর হবে না? যদি এমন হত্যাকাণ্ডের বিচার না হয়, তবে অপরাধীরা আরও নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নেবে। আমার একমাত্র মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে, অথচ আসামিরা এখনও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে—এটা মেনে নেওয়া যায় না।”
পরিবারের অভিযোগ, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এখনো পর্যন্ত মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। নিহতের পরিবার ও স্বজনরা ইতোমধ্যে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এ ঘটনায় স্বামী সামসুল কবির রাসেল, শ্বশুর হুমায়ুন কবির, শাশুড়ি জাহানারা কবিরসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রবাসে অবস্থানরত পিতা আরও জানান, তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সচেতন মহলের মতে, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নোয়াখালীতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা প্রবাসী পিতার

আপডেট সময় : ০২:১৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক গৃহবধূকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে। নিহত সাদিয়া ইসলাম সুমার পিতা প্রবাসী মোঃ সুজন ঢালী এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে সামসুল কবির রাসেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাদিয়া ইসলাম সুমা। বিয়ের পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে পরিবারের অভিযোগ।
ভুক্তভোগী পিতার দাবি, ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চাটখিল উপজেলার দশঘরিয়া এলাকায় একটি বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে সুমাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করতে তার মরদেহ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সৌদি আরব প্রবাসী পিতা সুজন ঢালী অভিযোগ করেন, তিনি প্রবাস থেকে বিভিন্ন পত্রিকা ও জাতীয় গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। এমনকি চাটখিল থানা-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উল্টো তাকে হয়রানির অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তাহলে কি আমার মেয়ের নৃশংস হত্যার বিচার আর হবে না? যদি এমন হত্যাকাণ্ডের বিচার না হয়, তবে অপরাধীরা আরও নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নেবে। আমার একমাত্র মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে, অথচ আসামিরা এখনও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে—এটা মেনে নেওয়া যায় না।”
পরিবারের অভিযোগ, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে এখনো পর্যন্ত মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। নিহতের পরিবার ও স্বজনরা ইতোমধ্যে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এ ঘটনায় স্বামী সামসুল কবির রাসেল, শ্বশুর হুমায়ুন কবির, শাশুড়ি জাহানারা কবিরসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রবাসে অবস্থানরত পিতা আরও জানান, তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সচেতন মহলের মতে, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।