সর্বশেষ
বেনাপোল পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনায় ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত শার্শার বেনাপোল দিয়ে ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ২ তরুণী কাজিপুরে থানা চত্বরে মদসহ গ্রেফতার ১ জন পুলিশের পৃথক চলমান অভিযানে শার্শা ও ডিহি থেকে গাঁজা-ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার নেত্রকোণায় নাজু হত্যায় নুরুল আমিনের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে শার্শা থানা পুলিশ শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাবেক দুই মেম্বারসহ ৪ জন গ্রেপ্তার শেরপুরের পাহাড়-বনের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্ক বিজেসির ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা-মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের ডাক শার্শায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজ অর্থায়নে বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে প্রশংসায় ভাসছেন নাটোরের বড়াইগ্রামের গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ

রাজশাহী বিভাগীয় প্রধানঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

​

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ নিজ অর্থায়নে একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছেন। ইউনিয়নটির অর্জনপুর গ্রামে এই কালভার্টটি নির্মাণের ফলে এলাকার মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। সাধারণ মানুষের পকেট থেকে কোনো টাকা না নিয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ করায় স্থানীয়দের মাঝে তাঁর প্রশংসার জোয়ার বইছে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অর্জনপুর গ্রামের ওই রাস্তাটিতে কালভার্ট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো সাধারণ পথচারী দের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত ইউনিয়নবাসীর এই জনদুর্ভোগের কথা অনুধাবন করে চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ কোনো সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অর্থায়ন করে বক্স কালভার্টটি তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
​কালভার্টটি নির্মিত হওয়ায় এখন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র পাল্টে গেছে। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি ও কৃষকরা আনন্দ প্রকাশ করে জানান, “বছরের পর বছর ধরে আমরা এই এলাকার মানুষ অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছি। বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনো সুরাহা হয়নি। কিন্তু চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ নিজ উদ্যোগে কালভার্টটি করে দেওয়ায় আমাদের চলাচলের পথ সুগম হয়েছে। তিনি কথা দিয়ে কথা রেখেছেন, যা বর্তমান সময়ে বিরল।”
​এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বলেন, “জনগণের সেবা করার জন্যই আমি নির্বাচিত হয়েছি। এলাকার মানুষের কষ্ট দেখলে নিজের বিবেককে ধরে রাখতে পারি না। সরকারি বরাদ্দের জন্য বসে না থেকে সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। জনগণের মুখে হাসি ফোটানোই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়নে আমার এই ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।”
​জনপ্রতিনিধিদের এমন ব্যতিক্রমী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিজ অর্থায়নে বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে প্রশংসায় ভাসছেন নাটোরের বড়াইগ্রামের গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ

আপডেট সময় : ০৪:০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

​

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ নিজ অর্থায়নে একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছেন। ইউনিয়নটির অর্জনপুর গ্রামে এই কালভার্টটি নির্মাণের ফলে এলাকার মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে। সাধারণ মানুষের পকেট থেকে কোনো টাকা না নিয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন জনকল্যাণমূলক কাজ করায় স্থানীয়দের মাঝে তাঁর প্রশংসার জোয়ার বইছে।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অর্জনপুর গ্রামের ওই রাস্তাটিতে কালভার্ট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো সাধারণ পথচারী দের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত ইউনিয়নবাসীর এই জনদুর্ভোগের কথা অনুধাবন করে চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ কোনো সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অর্থায়ন করে বক্স কালভার্টটি তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
​কালভার্টটি নির্মিত হওয়ায় এখন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্র পাল্টে গেছে। এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি ও কৃষকরা আনন্দ প্রকাশ করে জানান, “বছরের পর বছর ধরে আমরা এই এলাকার মানুষ অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছি। বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোনো সুরাহা হয়নি। কিন্তু চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ নিজ উদ্যোগে কালভার্টটি করে দেওয়ায় আমাদের চলাচলের পথ সুগম হয়েছে। তিনি কথা দিয়ে কথা রেখেছেন, যা বর্তমান সময়ে বিরল।”
​এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বলেন, “জনগণের সেবা করার জন্যই আমি নির্বাচিত হয়েছি। এলাকার মানুষের কষ্ট দেখলে নিজের বিবেককে ধরে রাখতে পারি না। সরকারি বরাদ্দের জন্য বসে না থেকে সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। জনগণের মুখে হাসি ফোটানোই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়নে আমার এই ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।”
​জনপ্রতিনিধিদের এমন ব্যতিক্রমী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।