নরোত্তমপুরে সালে আহমেদকে ঘিরে ইতিবাচক আলোচনা, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
- আপডেট সময় : ১২:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সালে আহমেদকে ঘিরে এলাকায় ইতিবাচক আলোচনা দেখা যাচ্ছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা তাকে পুনরায় ওয়ার্ড সদস্য হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী ভূমিকার কারণে তিনি অনেকের আস্থা অর্জন করেছেন। এলাকাবাসীর একাংশের ভাষ্য, জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতা এবং সেবামূলক কর্মকাণ্ড তাকে একজন গ্রহণযোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনেও সালে আহমেদকে নির্বাচিত দেখতে চান তারা। তাদের বিশ্বাস, পুনর্নির্বাচিত হলে তিনি আগের মতোই এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পলাশ মেম্বারকে ঘিরেও এলাকায় বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রত্যাশিত উন্নয়ন, জনসেবা ও সামাজিক কার্যক্রম নিয়ে ভোটারদের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ নিয়েও এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, পলাশ মেম্বারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তি ও তার ভাইদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে এলাকার পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি, অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিছু ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে উৎসাহ বা প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ঘটনার বিষয়ে চকবাজার থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভয়েস রেকর্ড, অডিও বার্তা এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগেও বিভিন্ন সময়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে তারা জানান।
তবে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার কোনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায়ও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে পলাশ মেম্বারের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা, উন্নয়নমূলক ভূমিকা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের আস্থার ভিত্তিতেই ভোটাররা তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।



















