ঝিনাইদহ টিটিসিতে দক্ষতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মোঃ মুক্তাদির রহমান
- আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে দেশের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারগুলো (টিটিসি)। আর এই কার্যক্রমকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে যেসব প্রশিক্ষক নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের অন্যতম ঝিনাইদহ টিটিসির ট্রেইনার মোঃ মুক্তাদির রহমান।
১০ মে ২০০৬ সাল থেকে তিনি ঝিনাইদহ টিটিসিতে অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নিজেকে শুধু একজন দায়িত্বশীল ট্রেইনার হিসেবেই নয়, বরং একজন মানবিক, দক্ষ ও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সহজ-সরল জীবনযাপন, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক আচরণ এবং কর্মক্ষেত্রে পেশাদার মনোভাবের কারণে তিনি প্রশিক্ষণার্থী ও সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত। তার প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বাস্তবমুখী ও দক্ষতানির্ভর হওয়ায় অনেক প্রশিক্ষণার্থী দ্রুত কর্মক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মোঃ মুক্তাদির রহমান “জাতীয় দক্ষতা সনদ ওয়েল্ডিং, লেভেল-১ (৩৬০ ঘণ্টা)” প্রশিক্ষণ সনদ অর্জন করেছেন। এই সনদ তার প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি বহন করে। ওয়েল্ডিং সেক্টরে তার অর্জিত দক্ষতা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
জানা গেছে, তার তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে অনেক তরুণ দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। বিশেষ করে বিদেশগামী কর্মীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তার নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেকে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।
সহকর্মীদের মতে, মোঃ মুক্তাদির রহমান অত্যন্ত দায়িত্বশীল, পরিশ্রমী এবং সৎ একজন কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে তিনি নতুনদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।
বর্তমান সময়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ খাতে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া মোঃ মুক্তাদির রহমান এর
মতো ট্রেইনাররা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে নীরব অবদান রেখে চলেছেন। তার এই কর্মনিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতা ঝিনাইদহ টিটিসির জন্য গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



















