সর্বশেষ
মাদক সেবনের অভিযোগের প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন আচরণের অভিযোগ শাজাহানপুরে স্যালাইন মিশানো পানি মনে করে ভুলক্রমে কীটনাশক পান করে কৃষকের মৃত্যু বেনাপোলে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার, শার্শায় ৪৭ দিনে কুকুরের কামড়ে ৫২৭ আক্রান্ত, বেনাপোলে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু ১ লাখ ৯ হাজার টাকায় ওমরাহ: ৩৬ যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের পথে লাব্বাইক হজ্জ্ব সার্ভিসেস ১৪ দিনের প্যাকেজে ভিসা, আপ-ডাউন টিকিট, হোটেল, তিন বেলা খাবার ও পরিবহন সুবিধার দাবি গনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শার্শা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য গ্রেফতার ময়মনসিংহে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা  বিষয়ে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ,কাজীসহ দুই জনকে জরিমানা কাজিপুরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে মাসের পর মাস উড়ছে ছেঁড়া পতাকা

মাদক সেবনের অভিযোগের প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন আচরণের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি স্টাফ রিপোর্টার আবু তাহের খোকন
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক সেবনের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা অশোভন ও উসকানিমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মৃত গোলাম মোছোড়ার ছেলে ও কবরের উপর বিল্ডিং নির্মাণকারী জামাল উদ্দিন সুদী খোকনের ছোট ভাই ইকবাল-এর বিরুদ্ধে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে মাদক সেবন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আইডি থেকে সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য, আপত্তিকর ভাষা এবং উসকানিমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এমনকি মৃত ব্যক্তির নামে খোলা একটি আইডি থেকেও বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন—কোনো অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ হলে তার জবাব কি তথ্য-প্রমাণ দিয়ে দেওয়া হবে, নাকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোংরা ভাষা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে?

তাদের ভাষ্য, মাদক সেবনের অভিযোগ যদি সত্য না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে প্রতিবাদ, ব্যাখ্যা কিংবা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক সেবনের বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

আইনকে পাশ কাটিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, হুমকি কিংবা অশালীনতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ নেই। বর্তমানে বাংলাদেশে সাইবার অপরাধসংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ কার্যকর রয়েছে; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘটিত নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, মাদক সেবনের অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন আচরণ, হুমকি বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তাদের স্পষ্ট বক্তব্য—মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ যেমন দরকার, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শালীনতা, আইন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগের জবাব হোক তথ্য-প্রমাণে; নোংরা ভাষা, হুমকি কিংবা বিশৃঙ্খলা দিয়ে নয়।

প্রতিবাদী কণ্ঠ—অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাদক সেবনের অভিযোগের প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন আচরণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক সেবনের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা অশোভন ও উসকানিমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মৃত গোলাম মোছোড়ার ছেলে ও কবরের উপর বিল্ডিং নির্মাণকারী জামাল উদ্দিন সুদী খোকনের ছোট ভাই ইকবাল-এর বিরুদ্ধে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে মাদক সেবন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আইডি থেকে সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য, আপত্তিকর ভাষা এবং উসকানিমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এমনকি মৃত ব্যক্তির নামে খোলা একটি আইডি থেকেও বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন—কোনো অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ হলে তার জবাব কি তথ্য-প্রমাণ দিয়ে দেওয়া হবে, নাকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোংরা ভাষা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে?

তাদের ভাষ্য, মাদক সেবনের অভিযোগ যদি সত্য না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে প্রতিবাদ, ব্যাখ্যা কিংবা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক সেবনের বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

আইনকে পাশ কাটিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, হুমকি কিংবা অশালীনতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ নেই। বর্তমানে বাংলাদেশে সাইবার অপরাধসংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ কার্যকর রয়েছে; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘটিত নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, মাদক সেবনের অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশোভন আচরণ, হুমকি বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তাদের স্পষ্ট বক্তব্য—মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ যেমন দরকার, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শালীনতা, আইন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগের জবাব হোক তথ্য-প্রমাণে; নোংরা ভাষা, হুমকি কিংবা বিশৃঙ্খলা দিয়ে নয়।

প্রতিবাদী কণ্ঠ—অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার