সর্বশেষ
জামায়েতে ইসলামি যুব বিভাগ নালিতাবাড়ী শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি এসএসসি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা ১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাপাহারে গাছের চারা বিতরণ সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত রত্নাই বগুলাবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের জমি উদ্ধারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন

 বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

 প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি। এই নীতির বিরুদ্ধে মাদকের হাটের নিয়ন্ত্রণ এখন ১ নং মাধবপুর ইউনিয়ন কুমিল্লা জেলার ভয়ঙ্কর এক আতঙ্কের নাম গ্ৰাম পুলিশ তথা চৌকিদার শাহীন। সরজমিন তদন্তে এলাকা জুড়ে এমন তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় জন প্রতিনিধি সহ সাধারণ মানুষের বক্তব্য। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মদদ পুষ্ট দলীয়ভাবে ক্ষমতাধর ১ নং মাধবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিনের আশীর্বাদ ও মদদ পুষ্ট মাদক সম্রাট শাহীনের শক্তিশালী নেটোয়ার্ক এর চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী তথ্য দিয়েছেন স্থানীয় ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানা এলাকায় বসবাসরত ভূক্তভোগী শান্তি প্রিয় জনগণ। বিধবা ভাতা আত্মসাৎ, বয়স্কভাতা লুটপাট, গুচ্ছ গ্ৰামের নামে সরকারি গৃহ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ সম্বলটুকু হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে এই প্রতারক ও সন্ত্রাসী গ্ৰাম পুলিশ (চৌকিদার শাহীন) এর বিরুদ্ধে। অসহায় মানুষের মেয়েকে বিবাহ দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ও রয়েছে স্থানীয় বক্তব্যে ভূমি দস্যু মাদক সম্রাট শাহীনের বিরুদ্ধে। অন্যের গরু চুরি করে বিক্রি করাতেও শাহীনের জুড়িমেলা ভার। গ্ৰামের হত দরিদ্র অটোচালকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় নিয়মিত চাদার টাকা পুলিশের ক্যাশিয়ার খেত দধি খোলা গ্ৰামের চৌকিদার শাহীনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ভাবে তার নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্ৰহণ করেও কোন পদক্ষেপ নীতেই সাহস করেননি ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত বর্তমান এসিল্যান্ড তারেক রহমান। এই প্রতারকের বিরুদ্ধে এসিল্যন্ড ও ভূমি অফিস হতে জমির প্রয়োজনীয় নকল সংগ্ৰহ করে দিবেন বলে ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার মত প্রতারণার অভিযোগ দাখিল করেন দধি খোলা গ্ৰামের বাসিন্দা মানিক মিয়া বিগত ২৮/০৭/২০২৬ ইং তারিখে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঐ দিনেই বিচার কার্য সম্পন্ন হয় এবং ৩০/০৭/২০২৬ ইং তারিখেই এসিল্যান্ডের অফিসে সকলের সম্মুখে ভূক্তভোগীর ভূমির কাগজপত্র উঠিয়ে দেয়ার নামে হাতিয়ে নেয়া ৫ লক্ষ টাকার মধে ৩ লক্ষ টাকা ফেরত দেয়ার রায় মেনে নেয়। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় পরবর্তীতে অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও মূল বিষয়টি থেকে পিছু হটে যান ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার দায়িত্বে থাকা এসিল্যান্ড জনাব তারেক রহমান। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা মনে করেন কোন না কোন স্থানের অদৃশ্য শক্তি ঢুকে পরেছে এই বিচারের মধ্যে। তাই এমনটা হয়েছে। তারা জানায় ভারতীয় বর্ডার নিকটবর্তী হওয়াতে মাদক সহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরেছে চৌকিদার শাহীন গ্ৰাম পুলিশের সাইনবোর্ডের আড়ালে। একটি এলাকায় এত বেশি অপকর্ম করেছে এই চৌকিদার শাহীন, যার ফলশ্রুতিতে সম্পূর্ন এলাকাবাসী ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, মাদকের ফিরিস্তি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে মুখ খুলতে দ্বিধা বোধ করেন নি। এই অপরাধী চক্রের মূল হোতা অসহায় পরিবার কাছ থেকে সরকারি তহবিল হতে গৃহ মেরামত করে দেয়ার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ভাতা যেমন বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি সহ খাদ্য সামগ্ৰী পাইয়ে দেয়ার নাম করে দই খোলা গ্ৰামের অসহায় মানুষ গুলো হতে হাতিয়েছে তাদের শেষ সম্বলটুকু। ভারতীয় বর্ডার নিকটবর্তী হওয়াতে পুলিশের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের নিয়ে গ্ৰামাঞ্চলে গড়ে তুলেছে মাদকের বিকিকিনি অঘোষিত হাট। ইউনিয়ন পরিষদে এক থেকে দেড় বছর উপস্থিত না হয়েও চেয়ারম্যানের আশীর্বাদ পুষ্ট শাহিন রয়েছে গ্ৰাম পুলিশের চাকরিতে বহাল তবিয়তে। নিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ সরকারি বেতন ভাতা সহ সুযোগ সুবিধা। হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত থেকেও সে চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিনের আশীর্বাদে লালকালি দিয়ে অনুপস্থিতের উপরে হাজিরা দিয়েছেন স্পেশালি। চেয়ারম্যান ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর বিধায় শাহিনের মত কুখ্যাত মাদক বিক্রেতাকে নিয়মিত ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর গন অভ্যুত্থানের পরেও এই ধরনের মাদক বিক্রেতা, সন্ত্রাসী, সরকারি অর্থ আত্মসাতের মত নানা অপরাধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কোন উদ্যোগ গ্ৰহণ না করে উৎসাহিত করে চলেছেন এই অপরাধিকে। নিয়মিত শেল্টার দিচ্ছেন প্রতারক শাহীনকে এবং তার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে তদবির করেই চলেছেন। তাই এখন স্থানীয়দের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এই অপরাধী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সব সময় থাকেন ধরাছোয়ার বাইরে। ইউএনও মুন্নী ইসলামকে গ্ৰাম পুলিশ শাহীনের মাধ্যমে সংঘটিত একাধিক অপরাধের বিষয়ে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে তিনি এই বিষয়ে সরকারি রুলস মেনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্ৰহণ করবেন বলে জনিয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি জানান প্রমাণিত সত্যের মুখোমুখি সবাইকে হতে হবে। মাদকের বিষয়ে তিনি জিরো টলরেন্স। কোন ছাড়দেয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষনা মোতাবেক জিরোটলারেন্স নির্দেশশনা রয়েছে মাদকের বিরুদ্ধে। তাই এই ব্যাপারে কাউকেই কোন রকমের ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। আইনের হাত থেকে এক তিল পরিমাণ ছাড় পাবে না। এই অপরাধীর বিরুদ্ধে ভূক্ত ভোগী পরিবার, স্থানীয় প্রতিনিধি সহ ব্রাক্ষ্মণপাড়া থানার দই খোলা গ্ৰামের শান্তি প্রিয় জনগণ পুলিশ প্রশাসন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বে থাকা সকল কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করেন। এই সন্ত্রাসী ও প্রতারককে আইনের আওতায় এনে বর্তমান প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা হতে রক্ষার উদ্যোগ নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরোটলারেন্স নীতিকে শক্তিশালী করার উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন

আপডেট সময় : ১০:৩৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি। এই নীতির বিরুদ্ধে মাদকের হাটের নিয়ন্ত্রণ এখন ১ নং মাধবপুর ইউনিয়ন কুমিল্লা জেলার ভয়ঙ্কর এক আতঙ্কের নাম গ্ৰাম পুলিশ তথা চৌকিদার শাহীন। সরজমিন তদন্তে এলাকা জুড়ে এমন তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় জন প্রতিনিধি সহ সাধারণ মানুষের বক্তব্য। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মদদ পুষ্ট দলীয়ভাবে ক্ষমতাধর ১ নং মাধবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিনের আশীর্বাদ ও মদদ পুষ্ট মাদক সম্রাট শাহীনের শক্তিশালী নেটোয়ার্ক এর চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী তথ্য দিয়েছেন স্থানীয় ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানা এলাকায় বসবাসরত ভূক্তভোগী শান্তি প্রিয় জনগণ। বিধবা ভাতা আত্মসাৎ, বয়স্কভাতা লুটপাট, গুচ্ছ গ্ৰামের নামে সরকারি গৃহ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ সম্বলটুকু হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে এই প্রতারক ও সন্ত্রাসী গ্ৰাম পুলিশ (চৌকিদার শাহীন) এর বিরুদ্ধে। অসহায় মানুষের মেয়েকে বিবাহ দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ও রয়েছে স্থানীয় বক্তব্যে ভূমি দস্যু মাদক সম্রাট শাহীনের বিরুদ্ধে। অন্যের গরু চুরি করে বিক্রি করাতেও শাহীনের জুড়িমেলা ভার। গ্ৰামের হত দরিদ্র অটোচালকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় নিয়মিত চাদার টাকা পুলিশের ক্যাশিয়ার খেত দধি খোলা গ্ৰামের চৌকিদার শাহীনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ভাবে তার নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্ৰহণ করেও কোন পদক্ষেপ নীতেই সাহস করেননি ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত বর্তমান এসিল্যান্ড তারেক রহমান। এই প্রতারকের বিরুদ্ধে এসিল্যন্ড ও ভূমি অফিস হতে জমির প্রয়োজনীয় নকল সংগ্ৰহ করে দিবেন বলে ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার মত প্রতারণার অভিযোগ দাখিল করেন দধি খোলা গ্ৰামের বাসিন্দা মানিক মিয়া বিগত ২৮/০৭/২০২৬ ইং তারিখে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঐ দিনেই বিচার কার্য সম্পন্ন হয় এবং ৩০/০৭/২০২৬ ইং তারিখেই এসিল্যান্ডের অফিসে সকলের সম্মুখে ভূক্তভোগীর ভূমির কাগজপত্র উঠিয়ে দেয়ার নামে হাতিয়ে নেয়া ৫ লক্ষ টাকার মধে ৩ লক্ষ টাকা ফেরত দেয়ার রায় মেনে নেয়। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় পরবর্তীতে অর্থ দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও মূল বিষয়টি থেকে পিছু হটে যান ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার দায়িত্বে থাকা এসিল্যান্ড জনাব তারেক রহমান। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা মনে করেন কোন না কোন স্থানের অদৃশ্য শক্তি ঢুকে পরেছে এই বিচারের মধ্যে। তাই এমনটা হয়েছে। তারা জানায় ভারতীয় বর্ডার নিকটবর্তী হওয়াতে মাদক সহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরেছে চৌকিদার শাহীন গ্ৰাম পুলিশের সাইনবোর্ডের আড়ালে। একটি এলাকায় এত বেশি অপকর্ম করেছে এই চৌকিদার শাহীন, যার ফলশ্রুতিতে সম্পূর্ন এলাকাবাসী ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, মাদকের ফিরিস্তি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে মুখ খুলতে দ্বিধা বোধ করেন নি। এই অপরাধী চক্রের মূল হোতা অসহায় পরিবার কাছ থেকে সরকারি তহবিল হতে গৃহ মেরামত করে দেয়ার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ভাতা যেমন বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি সহ খাদ্য সামগ্ৰী পাইয়ে দেয়ার নাম করে দই খোলা গ্ৰামের অসহায় মানুষ গুলো হতে হাতিয়েছে তাদের শেষ সম্বলটুকু। ভারতীয় বর্ডার নিকটবর্তী হওয়াতে পুলিশের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের নিয়ে গ্ৰামাঞ্চলে গড়ে তুলেছে মাদকের বিকিকিনি অঘোষিত হাট। ইউনিয়ন পরিষদে এক থেকে দেড় বছর উপস্থিত না হয়েও চেয়ারম্যানের আশীর্বাদ পুষ্ট শাহিন রয়েছে গ্ৰাম পুলিশের চাকরিতে বহাল তবিয়তে। নিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ সরকারি বেতন ভাতা সহ সুযোগ সুবিধা। হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত থেকেও সে চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিনের আশীর্বাদে লালকালি দিয়ে অনুপস্থিতের উপরে হাজিরা দিয়েছেন স্পেশালি। চেয়ারম্যান ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর বিধায় শাহিনের মত কুখ্যাত মাদক বিক্রেতাকে নিয়মিত ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর গন অভ্যুত্থানের পরেও এই ধরনের মাদক বিক্রেতা, সন্ত্রাসী, সরকারি অর্থ আত্মসাতের মত নানা অপরাধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কোন উদ্যোগ গ্ৰহণ না করে উৎসাহিত করে চলেছেন এই অপরাধিকে। নিয়মিত শেল্টার দিচ্ছেন প্রতারক শাহীনকে এবং তার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে তদবির করেই চলেছেন। তাই এখন স্থানীয়দের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এই অপরাধী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সব সময় থাকেন ধরাছোয়ার বাইরে। ইউএনও মুন্নী ইসলামকে গ্ৰাম পুলিশ শাহীনের মাধ্যমে সংঘটিত একাধিক অপরাধের বিষয়ে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে তিনি এই বিষয়ে সরকারি রুলস মেনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্ৰহণ করবেন বলে জনিয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি জানান প্রমাণিত সত্যের মুখোমুখি সবাইকে হতে হবে। মাদকের বিষয়ে তিনি জিরো টলরেন্স। কোন ছাড়দেয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষনা মোতাবেক জিরোটলারেন্স নির্দেশশনা রয়েছে মাদকের বিরুদ্ধে। তাই এই ব্যাপারে কাউকেই কোন রকমের ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। আইনের হাত থেকে এক তিল পরিমাণ ছাড় পাবে না। এই অপরাধীর বিরুদ্ধে ভূক্ত ভোগী পরিবার, স্থানীয় প্রতিনিধি সহ ব্রাক্ষ্মণপাড়া থানার দই খোলা গ্ৰামের শান্তি প্রিয় জনগণ পুলিশ প্রশাসন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বে থাকা সকল কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করেন। এই সন্ত্রাসী ও প্রতারককে আইনের আওতায় এনে বর্তমান প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা হতে রক্ষার উদ্যোগ নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরোটলারেন্স নীতিকে শক্তিশালী করার উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন।