সর্বশেষ
জানাজার মাঠ রক্ষায় মেয়রের হস্তক্ষেপ দাবি, উত্তর হালিশহরে দখল আতঙ্ক ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে মতিঝিল থানা শ্রমিক দলকে জনতার কাউন্সিলর আনুর টেলিভিশন উপহার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম গণের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত রামগতিতে ব্যবসায়ীকে হুমকি দিয়ে দোকানে আগুন, ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ অনুষ্ঠিত সভায় পুরস্কার বিতরণ সাপাহারে সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে মতবিনিময় সভা বেগমগঞ্জে চেকপোস্টে ৩ পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ যুবক আটক। ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলামের উপর হামলা গাইবান্ধায় ছাত্রলীগ নেতা অমিত গ্রেপ্তার: রাতে বাংলাবাজারে অভিযান নোয়াখালীতে ইসলামী ব্যাংক এজেন্টের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,

গফরগাঁওয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার: নীরব প্রশাসন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

গফরগাঁও উপজেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

আবারও রক্তাক্ত হলো জনপদ।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক আর ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। পাগলা থানার মশাখালি ইউনিয়নের দড়ি চাইরবাড়ীয়া গ্রামের শাহা ভিটা এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম চাঞ্চল্য।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর দেওয়া হয় পাগলা থানা পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—
কারা এত নির্মমভাবে একজন মানুষকে হত্যা করলো?
কেন এখনো নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা গেল না?
আর কেনই বা দিন দিন বেড়েই চলেছে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড?
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিন্তু স্থানীয়দের ভাষ্য ভিন্ন।
তাদের অভিযোগ, এলাকায় অপরাধ বাড়লেও কার্যকর নজরদারি ও টহলের অভাবে দুর্বৃত্তরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
একজন এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আজ একজন অজ্ঞাত মানুষ, কাল হয়তো আমাদের পরিবারের কেউ! এভাবে যদি রাস্তায় গলাকাটা লাশ পড়ে থাকে, তাহলে মানুষ কোথায় নিরাপদ?”
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি মৃত্যু নয়—এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
মানুষ জানতে চায়, অপরাধীরা কতটা শক্তিশালী হলে এমন বর্বরতা ঘটিয়েও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকে?
এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি—
দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে হবে, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

গফরগাঁওয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার: নীরব প্রশাসন, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

আবারও রক্তাক্ত হলো জনপদ।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক আর ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। পাগলা থানার মশাখালি ইউনিয়নের দড়ি চাইরবাড়ীয়া গ্রামের শাহা ভিটা এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম চাঞ্চল্য।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর দেওয়া হয় পাগলা থানা পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—
কারা এত নির্মমভাবে একজন মানুষকে হত্যা করলো?
কেন এখনো নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা গেল না?
আর কেনই বা দিন দিন বেড়েই চলেছে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড?
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিন্তু স্থানীয়দের ভাষ্য ভিন্ন।
তাদের অভিযোগ, এলাকায় অপরাধ বাড়লেও কার্যকর নজরদারি ও টহলের অভাবে দুর্বৃত্তরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
একজন এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আজ একজন অজ্ঞাত মানুষ, কাল হয়তো আমাদের পরিবারের কেউ! এভাবে যদি রাস্তায় গলাকাটা লাশ পড়ে থাকে, তাহলে মানুষ কোথায় নিরাপদ?”
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি মৃত্যু নয়—এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
মানুষ জানতে চায়, অপরাধীরা কতটা শক্তিশালী হলে এমন বর্বরতা ঘটিয়েও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকে?
এখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি—
দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে হবে, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।