নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ফেক আইডি ও অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৫২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কেন্দ্র করে ফেক আইডি ব্যবহার, অপপ্রচার ও সাইবার হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগে বলা হয়, লাল মিয়া পন্ডিত বাড়ির বাসিন্দা জয়নাল (ওরফে মৃগী জয়নাল), ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং জামাল উদ্দিন ওরফে সুদি খোকনের সহযোগিতায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র গঠন করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন সহযোগী যুক্ত রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মানবিক সংগঠন “প্রতিবাদী কণ্ঠ”-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞাকে লক্ষ্য করে দীর্ঘদিন ধরে তার মৃত বাবার নাম এবং ছবি দিয়ে ফেক আইডি, এবং তার পরিবারের নাম দিয়ে ফেক আইডি তার বাবা মা এবং সন্তানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। একাধিক ভুয়া আইডি ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগীর মোবাইল সিম হ্যাক করে তার সহকর্মী ও পরিচিতজনদের কাছে বিভ্রান্তিকর বার্তা পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক ও মানহানিকর ছবি তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ঘিরে পূর্বেও এলাকায় স্থানীয় বোর্ড অফিসে তার পারিবারিক সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড তার অস্রাব্য আচরণ নিয়ে একাধিক সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূর্বে নোয়াখালী মাইজদী শহরে ফুটপাতের রুমাল বিক্রি করতেন বর্তমানে প্রধান অভিযুক্ত ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পিয়ন পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীতে অবস্থান করে তিনি এসব অপপ্রচারমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞা নরোত্তমপুর এলাকায় ঐতিহ্যবাহী বকসি মিঞার কবরের ওপর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে।
এ বিষয়ে হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞা বলেন, “সত্য প্রকাশের কারণেই আমি টার্গেটে পরিণত হয়েছি। তবে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন

























