নোয়াখালী চৌমুহনী রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান।
- আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা চৌমুহনীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অবশেষে শুরু হয়েছে উচ্ছেদ অভিযান। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় সরকারি জায়গা দখল করে দোকানপাট, টিনশেড ঘর ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ ছিল। এতে রেলওয়ের সম্পত্তি যেমন বেহাত হচ্ছিল, তেমনি সাধারণ মানুষের চলাচল ও নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছিল।
আজ সকালে প্রশাসন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, বহু বছর ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ভাড়া বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও দখলদাররা জায়গা ছাড়েনি। অবশেষে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার ও রেলওয়ের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সচেতন মহল এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি জায়গা দখল করে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। চৌমুহনীর সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।”
অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুধু উচ্ছেদ করেই থেমে থাকবে না প্রশাসন; পুনরায় যাতে কেউ দখল করতে না পারে সেজন্য নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। এছাড়া রেলওয়ের জায়গা পুনরুদ্ধারে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন—সরকারি সম্পত্তি দখল করে বছরের পর বছর যারা প্রভাব খাটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আদৌ কি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, নাকি উচ্ছেদের পর আবারও নতুন নামে শুরু হবে দখল বাণিজ্য?




















