সর্বশেষ
চারঘাটে ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে বাংলাদেশ ছাত্র শিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শার্শায় প্রস্তুতিমূলক সভা, ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ঢাকা চকবাজারের বিশিষ্ট খেলনা ব্যবসায়ী পিন্টু আহমেদের পিত্তস্থলীতে পাথর অপারেশন আজ, সবার কাছে দোয়া কামনা কাচপুরের হাজী গরিবুল্লাহ রেস্তোরাঁয় খাবারের মান নিয়ে সাংবাদিকদের অসন্তোষ জমি নিয়ে বিরোধ: এক পক্ষকে কোপানোর পর অন্য পক্ষের বাড়িঘরে লুট নালিতাবাড়ীতে যুবককে অটোতে তুলে নিয়ে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘রিপোর্টার্স প্রেসক্লাব গাইবান্ধা’র আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দ কাজিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিপদসংকুল আচরণের অভিযোগ

কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার পুরো বিল উত্তোলন

 কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

-সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল ও গেট নির্মাণ কাজ শেষ না করেই সমুদয় বিল উত্তোলন করে লাপাত্তা হয়েছে ঠিকাদার।গেট ও বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় হাট সংলগ্ন স্কুলভবন সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বেড়েছে মাদকসেবীদের উপদ্রব।৬ জুলাই ( সোমবার)সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্কুলভবনটির দক্ষিণাংশে বাউন্ডারি ওয়াল অর্ধেক অংশ নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি কাজ শেষ না করে ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, রাত্রিকালীন মাদকসেবীরের আনাগোনা বিপদজনকহারে বাড়ছে।কাজিপুর উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩/২৪ অর্থ বছরে পি ই ডি পি ৪ প্রকল্পের আওতায় বাউন্ডারি ওয়াল ও একটি গেইট নির্মাণে প্রায় ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যে চুক্তিবদ্ধ হয় মেসার্স সোহানি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এবং ২৭/১১ /২০২৩ তারিখের কার্যাদেশে ২৫/০৫/২০২৪ তারিখের মধ্যে কাজ শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হয়। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ঠিকাদার কাজ না করেই বিল উত্তোলন করেছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)যৌথভাবে জানান, আমরা কাজ শেষ করার জন্য বার বার তাগাদা দিয়েও কাজ করেনি। তারা আরো জানান, কাজ শেষ হবার পর বিদ্যালয় থেকে প্রতিবেদন যাওয়ার পর ঠিকাদার বিল নিতে পারে, অথচ কাজ শেষ হয়েছে মর্মে প্রতিষ্ঠান থেকে কোন প্রতিবেদন দেয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যোগসাজেশে ঠিকাদার বিল উত্তোলন করে নিয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোনাদির হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে ইউএনও বরাবর লিখিত আকারে জানান হয়েছিল, কোনো প্রতিকার এখন পর্যন্ত মেলেনি। কাজ চলাকালীন দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিন বলেন, ঠিকাদারকে অনেক বার বলা হয়েছে সে কাজ করেনি। বর্তমানে তিনি বদলি সূত্রে অন্য কর্মস্থলে আছেন জানিয়ে ফাইনাল বিলে স্বাক্ষরের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এবং বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। এবিষয়ে কাজিপুর উপজেলা প্রকৌশলী হেদায়েতুল্লা বলেন, আমি আসার আগেই ওই কাজ হয়েছে। তবে অভিযোগটা আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ায় ঠিকাদারের জামানত প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার পুরো বিল উত্তোলন

আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

-সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল ও গেট নির্মাণ কাজ শেষ না করেই সমুদয় বিল উত্তোলন করে লাপাত্তা হয়েছে ঠিকাদার।গেট ও বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় হাট সংলগ্ন স্কুলভবন সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বেড়েছে মাদকসেবীদের উপদ্রব।৬ জুলাই ( সোমবার)সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্কুলভবনটির দক্ষিণাংশে বাউন্ডারি ওয়াল অর্ধেক অংশ নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি কাজ শেষ না করে ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, রাত্রিকালীন মাদকসেবীরের আনাগোনা বিপদজনকহারে বাড়ছে।কাজিপুর উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩/২৪ অর্থ বছরে পি ই ডি পি ৪ প্রকল্পের আওতায় বাউন্ডারি ওয়াল ও একটি গেইট নির্মাণে প্রায় ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যে চুক্তিবদ্ধ হয় মেসার্স সোহানি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এবং ২৭/১১ /২০২৩ তারিখের কার্যাদেশে ২৫/০৫/২০২৪ তারিখের মধ্যে কাজ শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হয়। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ঠিকাদার কাজ না করেই বিল উত্তোলন করেছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)যৌথভাবে জানান, আমরা কাজ শেষ করার জন্য বার বার তাগাদা দিয়েও কাজ করেনি। তারা আরো জানান, কাজ শেষ হবার পর বিদ্যালয় থেকে প্রতিবেদন যাওয়ার পর ঠিকাদার বিল নিতে পারে, অথচ কাজ শেষ হয়েছে মর্মে প্রতিষ্ঠান থেকে কোন প্রতিবেদন দেয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যোগসাজেশে ঠিকাদার বিল উত্তোলন করে নিয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোনাদির হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে ইউএনও বরাবর লিখিত আকারে জানান হয়েছিল, কোনো প্রতিকার এখন পর্যন্ত মেলেনি। কাজ চলাকালীন দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিন বলেন, ঠিকাদারকে অনেক বার বলা হয়েছে সে কাজ করেনি। বর্তমানে তিনি বদলি সূত্রে অন্য কর্মস্থলে আছেন জানিয়ে ফাইনাল বিলে স্বাক্ষরের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এবং বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। এবিষয়ে কাজিপুর উপজেলা প্রকৌশলী হেদায়েতুল্লা বলেন, আমি আসার আগেই ওই কাজ হয়েছে। তবে অভিযোগটা আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ায় ঠিকাদারের জামানত প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করছেন।