সর্বশেষ
চারঘাটে ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে বাংলাদেশ ছাত্র শিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শার্শায় প্রস্তুতিমূলক সভা, ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ঢাকা চকবাজারের বিশিষ্ট খেলনা ব্যবসায়ী পিন্টু আহমেদের পিত্তস্থলীতে পাথর অপারেশন আজ, সবার কাছে দোয়া কামনা কাচপুরের হাজী গরিবুল্লাহ রেস্তোরাঁয় খাবারের মান নিয়ে সাংবাদিকদের অসন্তোষ জমি নিয়ে বিরোধ: এক পক্ষকে কোপানোর পর অন্য পক্ষের বাড়িঘরে লুট নালিতাবাড়ীতে যুবককে অটোতে তুলে নিয়ে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘রিপোর্টার্স প্রেসক্লাব গাইবান্ধা’র আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দ কাজিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিপদসংকুল আচরণের অভিযোগ

এক বিয়েতে দুই কাবিননামা! নীলফামারীতে কাজীর কারসাজি ফাঁস, জেলহাজতে প্রেরণ

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে একই বিয়ের বিপরীতে ভিন্ন দুটি কাবিননামা তৈরি করে জালিয়াতির অভিযোগে এক নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ ওরফে এম এ মজিদ সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ আমলী আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল নীলফামারী সদরের হাড়োয়া ধনীপাড়া এলাকার রমজান আলীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কালিকাপুর খামাতপাড়া গ্রামের মেরি আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ওই বিয়েতে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় এবং দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রমজান আলী স্ত্রীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় মেরি আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বিচার প্রক্রিয়ায় উভয় পক্ষ আদালতে কাবিননামা জমা দিলে দেখা যায়, একই বিয়ের জন্য দুটি আলাদা কাবিননামা দাখিল করা হয়েছে—যা আদালতে সন্দেহের জন্ম দেয়। পরবর্তী যাচাই-বাছাইয়ে কাজী আব্দুল মজিদের প্রস্তুতকৃত কাবিননামায় অসঙ্গতি ও জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান শাসন জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল। আদালতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে কাজীদের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এক বিয়েতে দুই কাবিননামা! নীলফামারীতে কাজীর কারসাজি ফাঁস, জেলহাজতে প্রেরণ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে একই বিয়ের বিপরীতে ভিন্ন দুটি কাবিননামা তৈরি করে জালিয়াতির অভিযোগে এক নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ ওরফে এম এ মজিদ সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ আমলী আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল নীলফামারী সদরের হাড়োয়া ধনীপাড়া এলাকার রমজান আলীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কালিকাপুর খামাতপাড়া গ্রামের মেরি আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ওই বিয়েতে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় এবং দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রমজান আলী স্ত্রীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় মেরি আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বিচার প্রক্রিয়ায় উভয় পক্ষ আদালতে কাবিননামা জমা দিলে দেখা যায়, একই বিয়ের জন্য দুটি আলাদা কাবিননামা দাখিল করা হয়েছে—যা আদালতে সন্দেহের জন্ম দেয়। পরবর্তী যাচাই-বাছাইয়ে কাজী আব্দুল মজিদের প্রস্তুতকৃত কাবিননামায় অসঙ্গতি ও জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান শাসন জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল। আদালতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে কাজীদের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।