সর্বশেষ
এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রেস্তোরা সমিতির সভাপতি গাজী ওসমান গনি সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অনিয়মের ‘অভয়ারণ্য’—দুর্নীতি, ঘুষ আর ক্ষমতার দাপটে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতা গাইবান্ধায় কালোবাজারি তেলের কারবারে জড়িত মাদ্রাসা শিক্ষক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা—এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে জোরালো যৌথ অভিযান প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে সরকারি লিজের জমি দখল, ঘর নির্মাণে বাড়ছে উত্তেজনা পহেলা বৈশাখে প্রীতিভোজে অংশ নিলেন চকবাজার থানার ওয়ার্ড ২৯-এর কাউন্সিলর প্রার্থী জননেতা হাজী টিপু সুলতান এক বিয়েতে দুই কাবিননামা! নীলফামারীতে কাজীর কারসাজি ফাঁস, জেলহাজতে প্রেরণ নওগাঁর বদলগাছীতে ভ্যানচালক মিঠু হত্যা: রহস্য উদঘাটনের দাবি, আটক ১ “প্রচলিত শিক্ষার বাইরে নতুন দিগন্ত: হালিশহরে সমন্বিত প্রজন্ম গঠনের মডেল” মাঠে খেলা, শেরপুরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত

এক বিয়েতে দুই কাবিননামা! নীলফামারীতে কাজীর কারসাজি ফাঁস, জেলহাজতে প্রেরণ

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে একই বিয়ের বিপরীতে ভিন্ন দুটি কাবিননামা তৈরি করে জালিয়াতির অভিযোগে এক নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ ওরফে এম এ মজিদ সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ আমলী আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল নীলফামারী সদরের হাড়োয়া ধনীপাড়া এলাকার রমজান আলীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কালিকাপুর খামাতপাড়া গ্রামের মেরি আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ওই বিয়েতে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় এবং দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রমজান আলী স্ত্রীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় মেরি আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বিচার প্রক্রিয়ায় উভয় পক্ষ আদালতে কাবিননামা জমা দিলে দেখা যায়, একই বিয়ের জন্য দুটি আলাদা কাবিননামা দাখিল করা হয়েছে—যা আদালতে সন্দেহের জন্ম দেয়। পরবর্তী যাচাই-বাছাইয়ে কাজী আব্দুল মজিদের প্রস্তুতকৃত কাবিননামায় অসঙ্গতি ও জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান শাসন জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল। আদালতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে কাজীদের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এক বিয়েতে দুই কাবিননামা! নীলফামারীতে কাজীর কারসাজি ফাঁস, জেলহাজতে প্রেরণ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে একই বিয়ের বিপরীতে ভিন্ন দুটি কাবিননামা তৈরি করে জালিয়াতির অভিযোগে এক নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ ওরফে এম এ মজিদ সদর উপজেলার কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ আমলী আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল নীলফামারী সদরের হাড়োয়া ধনীপাড়া এলাকার রমজান আলীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কালিকাপুর খামাতপাড়া গ্রামের মেরি আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ওই বিয়েতে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় এবং দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রমজান আলী স্ত্রীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় মেরি আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বিচার প্রক্রিয়ায় উভয় পক্ষ আদালতে কাবিননামা জমা দিলে দেখা যায়, একই বিয়ের জন্য দুটি আলাদা কাবিননামা দাখিল করা হয়েছে—যা আদালতে সন্দেহের জন্ম দেয়। পরবর্তী যাচাই-বাছাইয়ে কাজী আব্দুল মজিদের প্রস্তুতকৃত কাবিননামায় অসঙ্গতি ও জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান শাসন জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল। আদালতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে কাজীদের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।