সর্বশেষ
চারঘাটে ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে বাংলাদেশ ছাত্র শিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শার্শায় প্রস্তুতিমূলক সভা, ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ঢাকা চকবাজারের বিশিষ্ট খেলনা ব্যবসায়ী পিন্টু আহমেদের পিত্তস্থলীতে পাথর অপারেশন আজ, সবার কাছে দোয়া কামনা কাচপুরের হাজী গরিবুল্লাহ রেস্তোরাঁয় খাবারের মান নিয়ে সাংবাদিকদের অসন্তোষ জমি নিয়ে বিরোধ: এক পক্ষকে কোপানোর পর অন্য পক্ষের বাড়িঘরে লুট নালিতাবাড়ীতে যুবককে অটোতে তুলে নিয়ে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘রিপোর্টার্স প্রেসক্লাব গাইবান্ধা’র আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দ কাজিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিপদসংকুল আচরণের অভিযোগ

পাওনা টাকা নিয়ে সাত বছরের বিরোধ: লাম্বু রহিম ও আজিম মিঞার মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা চকবাজার এলাকার চড়িহাট্টা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি আর্থিক বিরোধ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পাওনা টাকা সংক্রান্ত অভিযোগ ও পাল্টা অবস্থানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে আজিম মিঞা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে নিয়মিতভাবে পাওনা টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে পোস্ট করছেন বলেও জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৭ বছর আগে “লাম্বু রহিম” নাম পরিচিত একজন ব্যক্তির কাছে আজিম মিঞা একটি অটো মোল্ডিং ডাইস (প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যমান) প্রদান করেন। পরবর্তীতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ৬০ হাজার টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ওই অর্থ পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আজিম মিঞার দাবি, বিষয়টি সমাধানের জন্য একাধিকবার সামাজিকভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতেও একাধিকবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে তার অভিযোগ, এসব উদ্যোগের পরও কোনো অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত লাম্বু রহিমের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তিনি স্বীকার বা অস্বীকার করেছেন—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্যও পাওয়া যায়নি।

এদিকে আজিম মিঞা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে তার ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবি জানিয়ে আসছেন এবং সমাধান না হলে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি এ ধরনের আর্থিক বিরোধ পারস্পরিক সম্পর্ক ও সামাজিক পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা উভয় পক্ষকে আইনি প্রক্রিয়া ও আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত উভয় পক্ষের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাওনা টাকা নিয়ে সাত বছরের বিরোধ: লাম্বু রহিম ও আজিম মিঞার মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত

আপডেট সময় : ১১:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

ঢাকা চকবাজার এলাকার চড়িহাট্টা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি আর্থিক বিরোধ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। পাওনা টাকা সংক্রান্ত অভিযোগ ও পাল্টা অবস্থানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে আজিম মিঞা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে নিয়মিতভাবে পাওনা টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে পোস্ট করছেন বলেও জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৭ বছর আগে “লাম্বু রহিম” নাম পরিচিত একজন ব্যক্তির কাছে আজিম মিঞা একটি অটো মোল্ডিং ডাইস (প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যমান) প্রদান করেন। পরবর্তীতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ৬০ হাজার টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ওই অর্থ পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আজিম মিঞার দাবি, বিষয়টি সমাধানের জন্য একাধিকবার সামাজিকভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতেও একাধিকবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে তার অভিযোগ, এসব উদ্যোগের পরও কোনো অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত লাম্বু রহিমের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তিনি স্বীকার বা অস্বীকার করেছেন—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্যও পাওয়া যায়নি।

এদিকে আজিম মিঞা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে তার ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবি জানিয়ে আসছেন এবং সমাধান না হলে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি এ ধরনের আর্থিক বিরোধ পারস্পরিক সম্পর্ক ও সামাজিক পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা উভয় পক্ষকে আইনি প্রক্রিয়া ও আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত উভয় পক্ষের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি