সর্বশেষ
সোনামুখী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চলে রাতের আঁধারে দেখার যেন কেউ নাই কাজিপুর শার্শায় যুবদল নেতার পদ স্থগিতাদেশ এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ নালিতাবাড়ীতে আলোকবিন্দু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানা নাগলা ঠেঙ্গাবর এলাকায় প্রতারণা করে জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ আকমল আলীতে জুয়ার নেপথ্যে ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ ওসমান গ্রেফতার মৃত ব্যক্তির নামে খোলা ফেক আইডিতে মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্যের অভিযোগ, নরোত্তমপুরে নতুন আলোচনা খানসামায় অতিরিক্ত সার মজুত, ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা,৯২০ বস্তা সার জব্দ নালিতাবাড়ীতে অটোচালকের বাড়িতে চুরি, চোরকে রক্ষা নাকি ফাঁসানোর চেষ্টা কাজিপুর পৌরসভা মরা মানুষ বাহির হওয়ার একমাত্র সম্বল বাঁশের সাঁকো ময়মনসিংহ ফুলপুরে ১৩৫ দিনেই কুরআনের হাফেজ, সাজিদ

আকমল আলীতে জুয়ার নেপথ্যে ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ ওসমান গ্রেফতার

 বিশেষ প্রতিবেদক,
  • আপডেট সময় : ১১:২২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী এলাকায় জুয়ার আসর বসানোর নেপথ্যে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকার অভিযোগে মো. ওসমান গনি (২৭) নামে এক ‘পেশাদার জুয়াড়ি’কে গ্রেফতার করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ইপিজেড থানার বিভিন্ন দুর্গম ও নির্জন এলাকায় টাকার বিনিময়ে জুয়ার আসর বসানো এবং তা পরিচালনায় ওসমানের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মহোদয়ের নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাজহারুল ইসলাম ও ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, বিপিএমের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. সহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে, অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার, আকমল আলী এলাকা থেকে ওসমান গনিকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার ওসমান গনি হাটহাজারী থানার ফতেপুর এলাকার মো. মনির হোসেন ও বিবি জোস্নার ছেলে। বর্তমানে তিনি ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড এলাকায় বসবাস করেন। পুলিশের ভাষ্য, ওসমান একজন পেশাদার জুয়াড়ি। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ইপিজেড থানাধীন বিভিন্ন দুর্গম ও নির্জন এলাকায় টাকার বিনিময়ে জুয়ার আসর বসানোর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। জুয়ার আসর বসানোর জন্য ঘর তৈরি, জুয়াড়িদের অভয় দেওয়া, প্ররোচনা এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় জুয়ার আসর পরিচালনার নেপথ্যে ওসমানের প্রত্যক্ষ ভূমিকার তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। একাধিক মামলা, এরপরও জুয়ার অভিযোগ পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, জুয়া খেলা ও জুয়ার আসর আয়োজনের অভিযোগে ওসমান গনির বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ইপিজেড থানার মামলা নং-১ দায়ের করা হয়। মামলাটি জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর ১৫/১৮/২৭ ধারায় করা হয়েছে। এর আগে ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইপিজেড থানার মামলা নং-১৯-এ The Public Gambling Act, 1867-এর ৩/৪ ধারায় এবং ৯ জুন ২০২৫ তারিখে ইপিজেড থানার মামলা নং-৭-এ একই আইনের ৮ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশের দাবি, একাধিক মামলা হওয়ার পরও ওসমানের বিরুদ্ধে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ মামলায় এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জুয়া নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, বিপিএম বলেন, “ইপিজেড থানা এলাকায় জুয়া ও জুয়ার আসর কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। অপরাধী যতই কৌশলে আত্মগোপন করুক বা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুক, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জুয়ার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” ইপিজেড থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আকমল আলীতে জুয়ার নেপথ্যে ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ ওসমান গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:২২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী এলাকায় জুয়ার আসর বসানোর নেপথ্যে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকার অভিযোগে মো. ওসমান গনি (২৭) নামে এক ‘পেশাদার জুয়াড়ি’কে গ্রেফতার করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ইপিজেড থানার বিভিন্ন দুর্গম ও নির্জন এলাকায় টাকার বিনিময়ে জুয়ার আসর বসানো এবং তা পরিচালনায় ওসমানের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মহোদয়ের নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাজহারুল ইসলাম ও ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, বিপিএমের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. সহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে, অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার, আকমল আলী এলাকা থেকে ওসমান গনিকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার ওসমান গনি হাটহাজারী থানার ফতেপুর এলাকার মো. মনির হোসেন ও বিবি জোস্নার ছেলে। বর্তমানে তিনি ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড এলাকায় বসবাস করেন। পুলিশের ভাষ্য, ওসমান একজন পেশাদার জুয়াড়ি। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ইপিজেড থানাধীন বিভিন্ন দুর্গম ও নির্জন এলাকায় টাকার বিনিময়ে জুয়ার আসর বসানোর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। জুয়ার আসর বসানোর জন্য ঘর তৈরি, জুয়াড়িদের অভয় দেওয়া, প্ররোচনা এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় জুয়ার আসর পরিচালনার নেপথ্যে ওসমানের প্রত্যক্ষ ভূমিকার তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। একাধিক মামলা, এরপরও জুয়ার অভিযোগ পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, জুয়া খেলা ও জুয়ার আসর আয়োজনের অভিযোগে ওসমান গনির বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ইপিজেড থানার মামলা নং-১ দায়ের করা হয়। মামলাটি জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর ১৫/১৮/২৭ ধারায় করা হয়েছে। এর আগে ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইপিজেড থানার মামলা নং-১৯-এ The Public Gambling Act, 1867-এর ৩/৪ ধারায় এবং ৯ জুন ২০২৫ তারিখে ইপিজেড থানার মামলা নং-৭-এ একই আইনের ৮ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশের দাবি, একাধিক মামলা হওয়ার পরও ওসমানের বিরুদ্ধে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ মামলায় এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জুয়া নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, বিপিএম বলেন, “ইপিজেড থানা এলাকায় জুয়া ও জুয়ার আসর কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। অপরাধী যতই কৌশলে আত্মগোপন করুক বা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুক, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জুয়ার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” ইপিজেড থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।