সর্বশেষ
বিশ্ব মা দিবস: মায়ের ভালোবাসার ঋণ কখনো শোধ হবার নয়, কক্সবাজার ট্যুরে চাঞ্চল্য: আইফোন ছিনতাই, নারী হয়রানির অভিযোগে তোলপাড় দুদকের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা: গাইবান্ধায় ‘সোর্স’ পরিচয়ে যুবক আটক নোয়াখালী রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল সমালোচনার ঝড় আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী কাজল রেখা জিয়া সাংস্কৃতিক জোটের ভাইস প্রেসিডেন্ট! ফটিকছড়িতে ধর্ষণ করে বেয়াইনকে খুন করলেন বেয়াই কোতোয়ালীতে দুই আসামি গ্রেপ্তার গাজীপুরে ৫ খু’ন: চাঞ্চল্যকর তথ্যে পাল্টে যাচ্ছে ঘটনার মোড় কাব্যছন্দ পাঠাগারের ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন কবিতা,সাহিত্যচর্চা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুণীজনদের সম্মাননা গাইবান্ধায় কর্মসংস্থান মেলা: প্রশিক্ষিতদের চাকরির সুযোগ, স্বকর্মসংস্থানে আগ্রহ বাড়ছে গাইবান্ধায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর জাঁকজমকপূর্ণ সমাপনী, কিশোরদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ

কাব্যছন্দ পাঠাগারের ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন কবিতা,সাহিত্যচর্চা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুণীজনদের সম্মাননা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

 বিশেষ প্রতিবেদকঃ সাহিত্যচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার প্রত্যয়ে সামাজিক, মানবিক ও সাহিত্যভিত্তিক সংগঠন “কাব্যছন্দ সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা পাঠাগার”-এর অভিষেক ও ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, সাহিত্য আলোচনা সভা এবং গুণীজন ও সংগঠকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। শনিবার (৯ মে) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও তরুণ সাহিত্যপ্রেমীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি বলেন, সাহিত্য মানুষের আত্মিক বিকাশের অন্যতম প্রধান শক্তি। তরুণদের সৃজনশীল ও মানবিক চর্চায় সম্পৃক্ত করতে পাঠাগারভিত্তিক সাহিত্য আন্দোলনের বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি ও নাট্যকার মু. জালাল উদ্দিন নলুয়া। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি, গীতিকার ও ঔপন্যাসিক প্রফেসর মো. আমির হোসেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে বই, কবিতা ও সংস্কৃতিচর্চাকে টিকিয়ে রাখতে সংগঠিত সাহিত্য আন্দোলন অত্যন্ত জরুরি। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবীণ সাংবাদিক ও কবি রণজিৎ মোদক, সাহিত্য সাময়িকী “কাব্য কথা”-এর সম্পাদক ও প্রকাশক জালাল খান ইউসুফী এবং সাহিত্যিক ও সংগঠক মো. মাজহারুল ইসলাম কিসলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এম জহিরুল ইসলাম, মোতালেব এবং কবি ও আলোচক করীম রেজা। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি। এতে নবীন ও প্রবীণ কবিদের অংশগ্রহণে সাহিত্যাঙ্গনে এক সৃজনশীল আবহের সৃষ্টি হয়। পরে সাহিত্যচর্চা, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করতে ২০ জন গুণীজন ও সদস্যের হাতে “কাব্যছন্দ ইন্সপায়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৫” তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ জনকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় সংগঠনের কার্যকরী কমিটি (২০২৬-২০২৯) ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হন মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবুল কালাম আজাদ। সংগঠনের সহ-সভাপতি এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ, সাংবাদিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ আহমেদ খোকন-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। পরিশেষে ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক চেতনার এক অনন্য সম্মিলন প্রত্যক্ষ করেন উপস্থিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি কাজী আনিসুল হক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাব্যছন্দ পাঠাগারের ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন কবিতা,সাহিত্যচর্চা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুণীজনদের সম্মাননা

আপডেট সময় : ০২:৫৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 বিশেষ প্রতিবেদকঃ সাহিত্যচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার প্রত্যয়ে সামাজিক, মানবিক ও সাহিত্যভিত্তিক সংগঠন “কাব্যছন্দ সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা পাঠাগার”-এর অভিষেক ও ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, সাহিত্য আলোচনা সভা এবং গুণীজন ও সংগঠকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। শনিবার (৯ মে) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও তরুণ সাহিত্যপ্রেমীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি বলেন, সাহিত্য মানুষের আত্মিক বিকাশের অন্যতম প্রধান শক্তি। তরুণদের সৃজনশীল ও মানবিক চর্চায় সম্পৃক্ত করতে পাঠাগারভিত্তিক সাহিত্য আন্দোলনের বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি ও নাট্যকার মু. জালাল উদ্দিন নলুয়া। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি, গীতিকার ও ঔপন্যাসিক প্রফেসর মো. আমির হোসেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে বই, কবিতা ও সংস্কৃতিচর্চাকে টিকিয়ে রাখতে সংগঠিত সাহিত্য আন্দোলন অত্যন্ত জরুরি। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবীণ সাংবাদিক ও কবি রণজিৎ মোদক, সাহিত্য সাময়িকী “কাব্য কথা”-এর সম্পাদক ও প্রকাশক জালাল খান ইউসুফী এবং সাহিত্যিক ও সংগঠক মো. মাজহারুল ইসলাম কিসলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস এম জহিরুল ইসলাম, মোতালেব এবং কবি ও আলোচক করীম রেজা। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি। এতে নবীন ও প্রবীণ কবিদের অংশগ্রহণে সাহিত্যাঙ্গনে এক সৃজনশীল আবহের সৃষ্টি হয়। পরে সাহিত্যচর্চা, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করতে ২০ জন গুণীজন ও সদস্যের হাতে “কাব্যছন্দ ইন্সপায়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৫” তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ জনকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় সংগঠনের কার্যকরী কমিটি (২০২৬-২০২৯) ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হন মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবুল কালাম আজাদ। সংগঠনের সহ-সভাপতি এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ, সাংবাদিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ আহমেদ খোকন-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। পরিশেষে ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক চেতনার এক অনন্য সম্মিলন প্রত্যক্ষ করেন উপস্থিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি কাজী আনিসুল হক।