সর্বশেষ
এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রেস্তোরা সমিতির সভাপতি গাজী ওসমান গনি সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অনিয়মের ‘অভয়ারণ্য’—দুর্নীতি, ঘুষ আর ক্ষমতার দাপটে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতা গাইবান্ধায় কালোবাজারি তেলের কারবারে জড়িত মাদ্রাসা শিক্ষক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা—এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে জোরালো যৌথ অভিযান প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে সরকারি লিজের জমি দখল, ঘর নির্মাণে বাড়ছে উত্তেজনা পহেলা বৈশাখে প্রীতিভোজে অংশ নিলেন চকবাজার থানার ওয়ার্ড ২৯-এর কাউন্সিলর প্রার্থী জননেতা হাজী টিপু সুলতান এক বিয়েতে দুই কাবিননামা! নীলফামারীতে কাজীর কারসাজি ফাঁস, জেলহাজতে প্রেরণ নওগাঁর বদলগাছীতে ভ্যানচালক মিঠু হত্যা: রহস্য উদঘাটনের দাবি, আটক ১ “প্রচলিত শিক্ষার বাইরে নতুন দিগন্ত: হালিশহরে সমন্বিত প্রজন্ম গঠনের মডেল” মাঠে খেলা, শেরপুরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে জোরালো যৌথ অভিযান

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধ
  • আপডেট সময় : ১২:২১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেল চোরাচালান ও অবৈধ মজুত বন্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে প্রশাসন। সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাজুড়ে একযোগে অভিযান চালিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), জেলা প্রশাসন ও পুলিশ—যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে দর্শনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ অঞ্চলে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পাচার চক্র দমনে কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বিজিবির দর্শনা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. এনামুল কবিরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল এতে অংশ নেয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযান আরও শক্তিশালী রূপ পায়।
অভিযান চলাকালে চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা ও দর্শনা থানার বিভিন্ন জ্বালানি তেল পাম্প এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হঠাৎ তল্লাশি চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স ও কাগজপত্র খুঁটিয়ে যাচাই করা হয় এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কোনো অসাধু চক্র যদি অবৈধভাবে তেল মজুত বা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করা হয়েছে। পাচারকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের এই দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত থাকলে জ্বালানি তেল পাচার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং সীমান্ত এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে জোরালো যৌথ অভিযান

আপডেট সময় : ১২:২১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেল চোরাচালান ও অবৈধ মজুত বন্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে প্রশাসন। সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাজুড়ে একযোগে অভিযান চালিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), জেলা প্রশাসন ও পুলিশ—যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে দর্শনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ অঞ্চলে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পাচার চক্র দমনে কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বিজিবির দর্শনা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. এনামুল কবিরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল এতে অংশ নেয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযান আরও শক্তিশালী রূপ পায়।
অভিযান চলাকালে চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা ও দর্শনা থানার বিভিন্ন জ্বালানি তেল পাম্প এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হঠাৎ তল্লাশি চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স ও কাগজপত্র খুঁটিয়ে যাচাই করা হয় এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কোনো অসাধু চক্র যদি অবৈধভাবে তেল মজুত বা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করা হয়েছে। পাচারকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের এই দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত থাকলে জ্বালানি তেল পাচার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং সীমান্ত এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।