শার্শায় পিআইওকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক, মানববন্ধন-ষড়যন্ত্রে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
- আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
যশোরের শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে শার্শা উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, পিআইও শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এতে আরও অভিযোগ করা হয়, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাজ পাইয়ে দেওয়া বিভিন্ন ইউনিয়নে জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে ভুয়া ভাউচারে স্বাক্ষর নিয়ে অর্থ উত্তোলন অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ
একই ব্যক্তিকে একাধিক প্রকল্পের কাজ প্রদান এ ছাড়া শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামানের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে পিআইও শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু বলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন তাকে ফোন দিয়ে তার অনুসারীদের কাজ পাইয়ে দিতে চাপ দেন। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।
রঞ্জুর ভাষ্য, তিনি (নুরুজ্জামান লিটন) আমাকে ১০ দিনের মধ্যে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এবং এই উপজেলায় চাকরি করতে না দেওয়ার কথাও বলেন। এর পর থেকেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গঠিত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে কাজ পরিচালিত হয় এবং তার দায়িত্ব মূলত কাজ তদারকি ও গ্রহণ করা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, বেনাপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সরকার পর্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রায়ই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শার্শার এই ঘটনাও সেই বিতর্ককে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা




















