সর্বশেষ
বিপিজিএমইএ নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: একতরফা ভোটের অভিযোগে প্রশাসক নিয়োগের দাবি প্লাস্টিক অ্যাসোসিয়েশনে নির্বাচন ঘিরে তোলপাড়: ভোটার কারচুপি, দুর্নীতি ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিপিজিএমইএ নির্বাচন ঘিরে অন্ধকার খেলা! জসীম উদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে তুমুল প্রশ্ন—নিরপেক্ষ নাকি নেপথ্যের শক্তি? সংযমের শিক্ষা থেকে মানবতার জয়গান—ঈদুল ফিতর ২০২৬ মানবতার ডাকে সাড়া: রামপুরা বনশ্রীতে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের পাশে ‘মা কল্যাণ সংস্থা’ অসহায়দের পাশে মানবতার দীপ্ত উদাহরণ: শিল্পকলা একাডেমিতে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নোয়াখালীর গণমাধ্যমে সাহসের প্রতীক ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক নির্ভীক কণ্ঠ চাটখিলে ৮ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, পাশে থাকার অঙ্গীকার বিএনপি নেতা শিমুলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল শেষে প্লাস্টিক শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় সভা, উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থেকে বাক প্রতিবন্ধী মোঃ ইব্রাহিম খলিল নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

বিপিজিএমইএ নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: একতরফা ভোটের অভিযোগে প্রশাসক নিয়োগের দাবি

মোঃ আজিম মিঞা
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে


বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, একটি একতরফা নির্বাচন আয়োজনের পাঁয়তারা চলছে। এর প্রতিবাদে তারা আসন্ন নির্বাচন স্থগিত, বর্তমান পর্ষদ বিলুপ্ত এবং একজন নিরপেক্ষ প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা দিয়েছেন।


বাণিজ্য সচিব বরাবর জমা দেওয়া ওই আবেদনে স্বাক্ষর করেন বিপিজিএমইএ’র সদস্য ও ইমপ্রুভ এক্সেসরিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে.এম. জহির ফারুক।
সাধারণ সদস্যদের অভিযোগ, বর্তমান সভাপতি শামীম আহমেদ দায়িত্বে থেকেই নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় সভাপতি হওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তার নেতৃত্বাধীন বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিনের অনুসারী বলেও দাবি করা হয়েছে। সদস্যদের মতে, জসিম উদ্দিন অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন এবং এখনো আড়ালে থেকে আসন্ন নির্বাচনে নিজের পছন্দের প্রার্থীদের জয়ী করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।


এ পরিস্থিতিতে আগামী ১৭ মে নির্ধারিত নির্বাচনী তফসিল স্থগিত করে নতুন তফসিল ঘোষণার পাশাপাশি প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সদস্যরা।


আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিপিজিএমইএ ২০০৪ সালে সর্বশেষ নির্বাচন আয়োজন করেছিল। এরপর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে কোনো নির্বাচন ছাড়াই সংগঠনটি পরিচালিত হয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়মিত নির্বাচন আয়োজন বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে এবং এখনো অনির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমেই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।


সদস্যদের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কোনো বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বা নিয়মিত বোর্ড সভা ছাড়াই একতরফাভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেমন—প্রতিষ্ঠানের নামে জমি ক্রয়, বিনিয়োগ এবং আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১৫ বছর আগে বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই কয়েক কোটি টাকা একটি দুর্বল ব্যাংক ও প্রায় দেউলিয়া লিজিং প্রতিষ্ঠানে এফডিআর হিসেবে জমা রাখা হলেও সেই অর্থের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।


এছাড়া, সংগঠনের সংবিধান লঙ্ঘন করে বহু সদস্যের বকেয়া চাঁদা মওকুফ বা আংশিক ছাড় দিয়ে তাদের সদস্যপদ নবায়ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সদস্যপদের ক্ষেত্রে শিল্প-কারখানার মালিক হওয়া বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে অযোগ্য ব্যক্তিদের সদস্য করা এবং প্রভাব খাটিয়ে আত্মীয়স্বজনদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সংগঠনের প্রকৃত উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন সাধারণ সদস্যরা।
আবেদনে আরও বলা হয়, ২০০৪ সাল থেকে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মো. আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘ সময়েও কোনো নির্বাচন আয়োজন করেননি। এতে সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ গত বছরের নভেম্বরেই শেষ হলেও তারা দুই দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি করে দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। সর্বশেষ বর্ধিত মেয়াদ আগামী ২১ মে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এর আগেই ১৭ মে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আবারও তিন মাস মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করে বর্তমান পর্ষদ, যা মন্ত্রণালয় মঞ্জুর করেছে বলে জানা গেছে।


নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর পুনরায় মেয়াদ বৃদ্ধির ঘটনায় সাধারণ সদস্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংগঠনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এ বিষয়ে বর্তমান সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, “সবকিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা কাগজপত্রে অসঙ্গতি নেই। এছাড়া, সংগঠনে সাবেক সভাপতিদের কোনো প্রভাব নেই।”
তবে বিপরীতে সাবেক সভাপতি কে.এম. আলমগীর ইকবাল দাবি করেন, দীর্ঘ ২৩-২৪ বছর ধরে একটি গোষ্ঠী সংগঠনটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তিনি বলেন, “প্রকৃত শিল্প মালিকদের পরিবর্তে অযোগ্য ব্যক্তিদের সদস্য বানিয়ে একটি প্রভাবিত নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে। তাই আমরা সরকারের কাছে নিরপেক্ষ প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছি।”

সার্বিক পরিস্থিতিতে বিপিজিএমইএ’র নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই নির্ধারণ করবে সংগঠনটির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিপিজিএমইএ নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: একতরফা ভোটের অভিযোগে প্রশাসক নিয়োগের দাবি

আপডেট সময় : ০৩:৪২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬


বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, একটি একতরফা নির্বাচন আয়োজনের পাঁয়তারা চলছে। এর প্রতিবাদে তারা আসন্ন নির্বাচন স্থগিত, বর্তমান পর্ষদ বিলুপ্ত এবং একজন নিরপেক্ষ প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা দিয়েছেন।


বাণিজ্য সচিব বরাবর জমা দেওয়া ওই আবেদনে স্বাক্ষর করেন বিপিজিএমইএ’র সদস্য ও ইমপ্রুভ এক্সেসরিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে.এম. জহির ফারুক।
সাধারণ সদস্যদের অভিযোগ, বর্তমান সভাপতি শামীম আহমেদ দায়িত্বে থেকেই নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় সভাপতি হওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তার নেতৃত্বাধীন বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিনের অনুসারী বলেও দাবি করা হয়েছে। সদস্যদের মতে, জসিম উদ্দিন অতীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন এবং এখনো আড়ালে থেকে আসন্ন নির্বাচনে নিজের পছন্দের প্রার্থীদের জয়ী করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।


এ পরিস্থিতিতে আগামী ১৭ মে নির্ধারিত নির্বাচনী তফসিল স্থগিত করে নতুন তফসিল ঘোষণার পাশাপাশি প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সদস্যরা।


আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিপিজিএমইএ ২০০৪ সালে সর্বশেষ নির্বাচন আয়োজন করেছিল। এরপর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে কোনো নির্বাচন ছাড়াই সংগঠনটি পরিচালিত হয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়মিত নির্বাচন আয়োজন বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে এবং এখনো অনির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমেই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।


সদস্যদের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কোনো বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম), বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) বা নিয়মিত বোর্ড সভা ছাড়াই একতরফাভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেমন—প্রতিষ্ঠানের নামে জমি ক্রয়, বিনিয়োগ এবং আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১৫ বছর আগে বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই কয়েক কোটি টাকা একটি দুর্বল ব্যাংক ও প্রায় দেউলিয়া লিজিং প্রতিষ্ঠানে এফডিআর হিসেবে জমা রাখা হলেও সেই অর্থের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।


এছাড়া, সংগঠনের সংবিধান লঙ্ঘন করে বহু সদস্যের বকেয়া চাঁদা মওকুফ বা আংশিক ছাড় দিয়ে তাদের সদস্যপদ নবায়ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সদস্যপদের ক্ষেত্রে শিল্প-কারখানার মালিক হওয়া বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে অযোগ্য ব্যক্তিদের সদস্য করা এবং প্রভাব খাটিয়ে আত্মীয়স্বজনদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সংগঠনের প্রকৃত উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মনে করছেন সাধারণ সদস্যরা।
আবেদনে আরও বলা হয়, ২০০৪ সাল থেকে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মো. আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘ সময়েও কোনো নির্বাচন আয়োজন করেননি। এতে সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ গত বছরের নভেম্বরেই শেষ হলেও তারা দুই দফায় মেয়াদ বৃদ্ধি করে দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। সর্বশেষ বর্ধিত মেয়াদ আগামী ২১ মে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এর আগেই ১৭ মে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আবারও তিন মাস মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করে বর্তমান পর্ষদ, যা মন্ত্রণালয় মঞ্জুর করেছে বলে জানা গেছে।


নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর পুনরায় মেয়াদ বৃদ্ধির ঘটনায় সাধারণ সদস্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সংগঠনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এ বিষয়ে বর্তমান সভাপতি শামীম আহমেদ বলেন, “সবকিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা কাগজপত্রে অসঙ্গতি নেই। এছাড়া, সংগঠনে সাবেক সভাপতিদের কোনো প্রভাব নেই।”
তবে বিপরীতে সাবেক সভাপতি কে.এম. আলমগীর ইকবাল দাবি করেন, দীর্ঘ ২৩-২৪ বছর ধরে একটি গোষ্ঠী সংগঠনটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তিনি বলেন, “প্রকৃত শিল্প মালিকদের পরিবর্তে অযোগ্য ব্যক্তিদের সদস্য বানিয়ে একটি প্রভাবিত নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে। তাই আমরা সরকারের কাছে নিরপেক্ষ প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছি।”

সার্বিক পরিস্থিতিতে বিপিজিএমইএ’র নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই নির্ধারণ করবে সংগঠনটির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা।