জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরীর আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দিকনির্দেশনা
- আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার ও গতিশীল করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা চট্টগ্রাম রেলওয়ে সি.আর.বি এলাকার তাসফিয়া গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভার শুরুতেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত আলতাফ হোসেনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নীতি-নির্ধারণী পরিষদের মহাসচিব মুহাম্মদ মনজুর হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মাসুদ আলম সাগর, সাধারণ সম্পাদক ও মাই টিভির ব্যুরো চিফ মো. নুরুল কবির, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির উপদেষ্টা এস. এম. আজিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল আলম, কবি ও প্রাবন্ধিক মো. কামরুল ইসলাম, মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, মোহাম্মদ আমিনুল হক রিপন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম আপন, শহিদুল ইসলাম লিটন ও আবদুল হালিম নীরবসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বিল্লাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান, শহিদুল ইসলাম ও সুমন সেন, প্রকৌশলী মো. লোকমান গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদুল হাসান মোস্তফা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম মিন্টু ও মো. রিয়াজ উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ কায়সার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরুল আবসার কায়সার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক মো. শহিদুল ইসলাম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, পরিকল্পনা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিধান ঘোষ (লিটন), কার্যকরী সদস্য হাসান রনি, জয়ন্ত দে, কামাল উদ্দিন লিটনসহ কার্যকরী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, “জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সবসময় সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব অনেক বেশি। সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে কেন্দ্র থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।” প্রধান বক্তা আতিকুর রহমান আজাদ বলেন, “সাংবাদিকতা বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ পেশা। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা এবং সাংগঠনিক ঐক্যের মাধ্যমে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।” উপদেষ্টা এস. এম. আজিজ বলেন, “সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধই একটি সংগঠনের মূল শক্তি।” চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মাসুদ আলম সাগর বলেন, “চট্টগ্রামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়, কল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং পেশাগত মানোন্নয়নে সংগঠনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।” সাধারণ সম্পাদক ও মাই টিভির ব্যুরো চিফ মো. নুরুল কবির বলেন, “সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। অনুসন্ধানী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। সাংবাদিকদের কল্যাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।” সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন বলেন, “জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সদস্যদের প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হবে।” সংগঠনের সভাপতি এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) সমাপনী বক্তব্যে বলেন, “জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা একটি অরাজনৈতিক, পেশাদার ও ঐক্যবদ্ধ সংগঠন হিসেবে সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং মানবিক সহায়তায় সংগঠন সবসময় পাশে থাকবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর সংগঠনে পরিণত করা সম্ভব হবে।” সভায় সংগঠনকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রস্তাব গৃহীত হয়। পরে সভাপতি উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।



















