সর্বশেষ
সিরাজদিখানে আড়াই লাখ টাকার চায়না দুয়ারী জাল বিনষ্ট লালমনিরহাটে সার বিক্রিতে অনিয়ম, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৬ বস্তা সার জব্দ।। শেরপুরে হাতি সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্ব দিলে কমবে মানুষ হাতি সংঘাত পরিবেশমন্ত্রী বন্যহাতিকে পর্যটনে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি ও মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের আশ্বাস তথ্যমন্ত্রীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা পেল ২০ হাজার মানুষ জুড়ীতে সংবর্ধিত আজহার আহমদ ওয়াসিম, পূর্বজুড়ীতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আলোচনা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বার্তা গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের প্রতিবাদে জবিতে জকসুর বিক্ষোভ মানবসেবায় আলোচনায় ইয়াকুব আলী, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জীবন যেখানে জিরো যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি

বন্যহাতিকে পর্যটনে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি ও মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের আশ্বাস

নালিতাবাড়ী, ( শেরপুর প্রতিনিধি:)
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

 বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু। একই সঙ্গে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো এবং বন্যহাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটন বিকাশের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে কাজ করা এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাত কমিয়ে সহাবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বন্যহাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটন বিকাশের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের পাশাপাশি শেরপুর জেলার পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারি, শেরপুরের পুলিশ সুপার একেএম জহুরুল ইসলাম এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম। সভায় মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসন, বন্যহাতি সংরক্ষণ এবং হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বন্যহাতি সংরক্ষণে স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা ও মাঠপর্যায়ে তাঁদের কার্যক্রমের গুরুত্বও উঠে আসে। মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী বন্যহাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন। একই সঙ্গে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের মধ্যে বন্যহাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং পর্যটন খাতের বিকাশে মন্ত্রীর এ উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বন্যহাতিকে পর্যটনে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি ও মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৩:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

 বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু। একই সঙ্গে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো এবং বন্যহাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটন বিকাশের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে কাজ করা এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাত কমিয়ে সহাবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বন্যহাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটন বিকাশের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের পাশাপাশি শেরপুর জেলার পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারি, শেরপুরের পুলিশ সুপার একেএম জহুরুল ইসলাম এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম। সভায় মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসন, বন্যহাতি সংরক্ষণ এবং হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বন্যহাতি সংরক্ষণে স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা ও মাঠপর্যায়ে তাঁদের কার্যক্রমের গুরুত্বও উঠে আসে। মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী বন্যহাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন। একই সঙ্গে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের মধ্যে বন্যহাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং পর্যটন খাতের বিকাশে মন্ত্রীর এ উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।