সর্বশেষ
তদন্তের স্বার্থে ফোন, সাংবাদিককে গালাগাল ও হুমকির অভিযোগ; মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের ময়মনসিংহে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনের সুস্থতা কামনায় বেনাপোলে বিশেষ দোয়া মোনাজাত ময়মনসিংহের ভালুকায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কুমিরের খামার পরিদর্শন ২১ মাস পর কারামুক্ত গৌরনদীর সাবেক মেয়র হারিছুর রহমান গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমবাগানের ১০১টি গাছ কেটে সাবাড়, থানায় মামলা ময়মনসিংহে সাইম টেলিকমের লুন্ঠিত মালামালের আংশিক উদ্ধার; ত্রিশালে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে মোবাইল কোর্টে ২ জনের কারাদণ্ড

তদন্তের স্বার্থে ফোন, সাংবাদিককে গালাগাল ও হুমকির অভিযোগ; মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

কাশেম বিন আবু জুবায়ের
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

ফেসবুকে কথিত ফেক আইডির মাধ্যমে হয়রানির একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে ফোনে অশালীন ভাষায় গালাগাল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং সাংবাদিকতার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দৈনিক মুখপাত্র-এর বিশেষ প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ঢাকা মহানগর কোর কমিটির তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সারজিদ আহমেদ অপু মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই সন্ধ্যার পর সাংবাদিক সারজিদ আহমেদ অপু একটি চলমান অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মো. জহিরুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জহিরুল ইসলামের পিতা মৃত দেলোয়ার হোসেন, মাতা নূরনেছা বেগম। তার বর্তমান ঠিকানা ৪৮/এ, দক্ষিণ বেগুনবাড়ি শিল্প এলাকা, তেজগাঁও, ঢাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা নরোত্তমপুর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, নোয়াখালী। ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হিসেবে ০১৭১৫-৭০০৯৭১ উল্লেখ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আজিম মিয়াকে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে দুটি ফেসবুক ফেক আইডির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই আইডি থেকে তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, এআই-নির্মিত কনটেন্ট ও আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে পূর্বেই চকবাজার থানা এবং ডিবি সাইবার ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ জুন সংশ্লিষ্ট একটি ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়, যেখানে অভিযুক্তের মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে এবং তদন্তের স্বার্থে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিকের পরিচয় জানার পরও অভিযুক্ত অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন, অপমানজনক মন্তব্য করেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ফোনালাপের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন মন্তব্য করেন এবং দলটির শাসনামলের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিত দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সম্পর্কেও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ফোনালাপ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর বিভিন্ন অচেনা মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক সারজিদ আহমেদ অপুর কাছে একাধিক কল আসে, যা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

ঘটনার পরপরই সারজিদ আহমেদ অপু মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জহিরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তদন্তের স্বার্থে ফোন, সাংবাদিককে গালাগাল ও হুমকির অভিযোগ; মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ফেসবুকে কথিত ফেক আইডির মাধ্যমে হয়রানির একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে ফোনে অশালীন ভাষায় গালাগাল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি এবং সাংবাদিকতার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দৈনিক মুখপাত্র-এর বিশেষ প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ঢাকা মহানগর কোর কমিটির তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সারজিদ আহমেদ অপু মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুলাই সন্ধ্যার পর সাংবাদিক সারজিদ আহমেদ অপু একটি চলমান অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মো. জহিরুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জহিরুল ইসলামের পিতা মৃত দেলোয়ার হোসেন, মাতা নূরনেছা বেগম। তার বর্তমান ঠিকানা ৪৮/এ, দক্ষিণ বেগুনবাড়ি শিল্প এলাকা, তেজগাঁও, ঢাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা নরোত্তমপুর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, নোয়াখালী। ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হিসেবে ০১৭১৫-৭০০৯৭১ উল্লেখ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আজিম মিয়াকে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে দুটি ফেসবুক ফেক আইডির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই আইডি থেকে তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, এআই-নির্মিত কনটেন্ট ও আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে পূর্বেই চকবাজার থানা এবং ডিবি সাইবার ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ জুন সংশ্লিষ্ট একটি ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়, যেখানে অভিযুক্তের মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে এবং তদন্তের স্বার্থে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিকের পরিচয় জানার পরও অভিযুক্ত অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন, অপমানজনক মন্তব্য করেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ফোনালাপের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন মন্তব্য করেন এবং দলটির শাসনামলের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিত দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সম্পর্কেও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ফোনালাপ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর বিভিন্ন অচেনা মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক সারজিদ আহমেদ অপুর কাছে একাধিক কল আসে, যা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

ঘটনার পরপরই সারজিদ আহমেদ অপু মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জহিরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।