সর্বশেষ
মসিকের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগিং ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি বেগমগঞ্জে ৮০ হাজার ৩৬০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার, জব্দ জিপ বিএনপি সভাপতির সভাপতিত্বেই ব্ল্যাকবোর্ডে ‘জুলাই শহীদ’ স্মরণে, প্রধান বক্তা যুবলীগ নেতা শার্শা উপজেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী উপজেলায় কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ

শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে সেটাই হবে সফলতার মূল সূচক -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

 ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থে শিখতে পারে। শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে সেটাই হবে সফলতার মূল সূচক। আজ ১৭মে রবিবার ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কর্তৃক আয়োজিত প্রাথমিক স্তরে বাংলা ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন পাইলটিং কার্যক্রম বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হলে সবার আগে কারিকুলাম সঠিকভাবে ডিজাইন করতে হবে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষায় ‘আর্লি লার্নিং’ বা প্রাথমিক বয়সের শেখার বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ভাষা শিক্ষা ও মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জন। শুনে বোঝা, বলে বোঝানো, পড়ে বোঝা এবং লিখে বোঝানো এই চারটি ভাষাগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের শেখাতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান টেক্সটবুকের আকার ও উপস্থাপনা শিশুদের উপযোগী নয়। একটি ছয় বছরের শিশুর হাতে বড় আকারের বই তুলে দিলে তার মধ্যে শেখার আগ্রহ কমে যায়। ছোট ছোট অধ্যায়ভিত্তিক বই ও আনন্দমুখর শেখার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সিভিক এডুকেশন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। এসব বিষয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমেই শেখানো সম্ভব। প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে নতুন প্রাথমিক কারিকুলাম ডিজাইন ও পাইলটিং সম্পন্ন করে দেশব্যাপী ২০২৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। নতুন কারিকুলামের ভিত্তি হবে ভাষা শিক্ষা, গণিত, সিভিক এডুকেশন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি। তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামের আলোকে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, টেক্সটবুক প্রণয়ন এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও পুনর্বিন্যাস করা হবে। ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্থাপনা ও পরিবেশ শিশুদের শেখার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। শেষে তিনি বলেন, এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি কাজের একমাত্র মাপকাঠি হবে লার্নিং আউটকাম। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), ময়মনসিংহের মহাপরিচালক ফরিদ আহ্‌মদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দেবব্রত চক্রবর্তী। এছাড়াও ন্যাপের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে সেটাই হবে সফলতার মূল সূচক -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেখানে শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থে শিখতে পারে। শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখছে সেটাই হবে সফলতার মূল সূচক। আজ ১৭মে রবিবার ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কর্তৃক আয়োজিত প্রাথমিক স্তরে বাংলা ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন পাইলটিং কার্যক্রম বেইজলাইন রিপোর্ট শেয়ারিং বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হলে সবার আগে কারিকুলাম সঠিকভাবে ডিজাইন করতে হবে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষায় ‘আর্লি লার্নিং’ বা প্রাথমিক বয়সের শেখার বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ভাষা শিক্ষা ও মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জন। শুনে বোঝা, বলে বোঝানো, পড়ে বোঝা এবং লিখে বোঝানো এই চারটি ভাষাগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের শেখাতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান টেক্সটবুকের আকার ও উপস্থাপনা শিশুদের উপযোগী নয়। একটি ছয় বছরের শিশুর হাতে বড় আকারের বই তুলে দিলে তার মধ্যে শেখার আগ্রহ কমে যায়। ছোট ছোট অধ্যায়ভিত্তিক বই ও আনন্দমুখর শেখার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সিভিক এডুকেশন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। এসব বিষয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমেই শেখানো সম্ভব। প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে নতুন প্রাথমিক কারিকুলাম ডিজাইন ও পাইলটিং সম্পন্ন করে দেশব্যাপী ২০২৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। নতুন কারিকুলামের ভিত্তি হবে ভাষা শিক্ষা, গণিত, সিভিক এডুকেশন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি। তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামের আলোকে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, টেক্সটবুক প্রণয়ন এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও পুনর্বিন্যাস করা হবে। ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্থাপনা ও পরিবেশ শিশুদের শেখার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। শেষে তিনি বলেন, এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি কাজের একমাত্র মাপকাঠি হবে লার্নিং আউটকাম। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), ময়মনসিংহের মহাপরিচালক ফরিদ আহ্‌মদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দেবব্রত চক্রবর্তী। এছাড়াও ন্যাপের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।