গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
গণভোট ২০২৬ সংসদ নির্বাচন
দেশের চাৰি আপনার হাতে
আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে-
তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
দন্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.gonovote.gov.bd এবং www.gonovote.bd
“হ্যাঁ” ভোট দিলে উপরের সবকিছু পাবেন। “না” ভোট দিলে কিছুই পাবেন না।

মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনারই হাতে।
প্রতিবাদী কন্ঠের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি পরিচালনা করেন শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা অফিসার মোঃ জহির উদ্দিন ও সোহেল রানা। এ সময় পৌর সমাজকর্মীরাও উপস্থিত থেকে জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিবাদী কন্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ আজিম মিঞা এবং সংগঠনের উপদেষ্টা পিন্টু আহমেদ। বক্তারা বলেন, গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচন বা গণভোট সার্থক হতে পারে না।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকদের মতামত প্রতিফলিত করতে ভোটাধিকার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জনগণের সরাসরি মতামত গ্রহণ করা সম্ভব হবে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় অগ্রগতি।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যাপকভাবে জনসচেতনতা কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান।
প্রচারে: গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, ঢাকা।

















