ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দিতে ৮০ হাজার টাকায় সালিশি বৈঠক
- আপডেট সময় : ১১:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
মিরাজের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ সামছুর বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরের ৫ নম্বর পার্বতীনগর ইউনিয়নের মধ্য মধ্যমকধ্বজ গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালাজী বাড়িতে সাত বছরের শিশু সামিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ১৭ বছর বয়সী মিরাজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রাম্য সালিশে ৮০ হাজার টাকার লেনদেনের অভিযোগ সামনে এসেছে। শিশুটির বাবা মো. সহিদের দাবি, সালিশে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় এবং বাকি ৩০ হাজার টাকা সামছু নামে এক ব্যক্তি নিয়েছেন।
ধর্ষণের অভিযোগের পর সালিশ
দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু সামিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে গ্রামে সালিশ বৈঠক বসে বলে অভিযোগকারী পক্ষ জানিয়েছে। তাদের দাবি, বৈঠকে ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা শিশুটির বাবা মো. সহিদকে দেওয়া হয় এবং বাকি ৩০ হাজার টাকা সামছু নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
একটি শিশুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের পর অর্থের বিনিময়ে সালিশের এমন সিদ্ধান্তের অভিযোগ ঘটনাটিকে ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
সালিশে কারা ছিলেন?
অভিযোগকারী পক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সালিশ বৈঠকে সামছু, বেলায়েত, মোস্তফা, জহির,ওফুল উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তাঁদের ভূমিকা এবং অর্থের লেনদেনের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় সামছুর বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। সালিশের আয়োজন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, সেটিও এ ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ দিক।
ন্যায়বিচারের প্রশ্ন
সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের মতো গুরুতর ঘটনায় আইনগত বিচারপ্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাম্য সালিশে অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকলে, সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
শিশু সামিয়াকে ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, ৮০ হাজার টাকার লেনদেন এবং সালিশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এই তিনটি বিষয়ই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা জরুরি


















