চৌমুহনীতে পুরোনো মামলার জেরে দুর্ভোগে বহু পরিবার, নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি
- আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখনালীর চৌমুহনীতে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মন্দির ভাঙচুর ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোতে নিরীহ মানুষকে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। এসব মামলায় বিএনপির বহু নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন মুসলিম পরিবারের সদস্যরা কারাবরণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়েছে। একদিকে সংসারের ব্যয় নির্বাহ, অন্যদিকে আইনজীবীর খরচ ও আদালতের দীর্ঘ প্রক্রিয়া—সব মিলিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। মামলা ও হয়রানির প্রভাব এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধ কিংবা প্রতিহিংসার কারণে কেউ নির্দোষ হয়েও মামলার আসামি হয়ে থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
দ্রুত বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচারের আহ্বান
দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে চলা আইনি জটিলতা ও দুর্ভোগের অবসান চান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। তাঁদের দাবি, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করে প্রকৃত অপরাধী ও নির্দোষ ব্যক্তিদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি নেই, তাঁদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি থেকে মুক্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।
এ ছাড়া অন্যায়ভাবে কাউকে মামলায় জড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
দুর্ভোগে থাকা পরিবারগুলো প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তাঁরা আবারও স্বাভাবিক ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।
ভুক্তভোগীদের মতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরপরাধ মানুষের সুরক্ষা এবং প্রকৃত অপরাধীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই এখন তাঁদের প্রধান প্রত্যাশা



















