খালেদুল ইসলাম নেতৃত্বে ডিজিটাল রূপে যাচ্ছে ঢাকা পবিস-২
- আপডেট সময় : ০৩:০৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে যখন সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় মাঠপর্যায়ে বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে আলোচনায় এসেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২। অত্র সমিতির সম্মানিত জেনারেল ম্যানেজার খালেদুল ইসলাম দূরদর্শী নেতৃত্ব, সৎ কর্মপরিকল্পনা এবং গ্রাহকসেবামুখী দৃষ্টিভঙ্গির ফলে ঢাকা পবিস-২ এ শুরু হয়েছে এক ব্যতিক্রমী উন্নয়ন কার্যক্রম। গ্রাহক সেবার মানোন্নয়ন, বিদ্যুতের সিস্টেম লস হ্রাস, বিলিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আগামী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে ৫,০০০টি এনালগ মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল মিটার স্থাপনের একটি বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা শুধু একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং এটি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার নতুন অধ্যায় বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হিসেবে অদ্য ১০/০৫/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ এবং ১১/০৫/২০২৬ তারিখের চলমান ক্র্যাশ প্রোগ্রাম-এর আওতায় মাত্র একদিনেই সফলভাবে ৫৮০টি ১-ফেজ এনালগ মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এত অল্প সময়ে এত বিপুলসংখ্যক মিটার পরিবর্তনের ঘটনা বিদ্যুৎ খাতে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়াতে শুরু করেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলা এই কার্যক্রমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ছিল এক অন্যরকম উদ্দীপনা। প্রতিটি টিম নির্ধারিত এলাকায় গিয়ে গ্রাহকদের সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে মিটার পরিবর্তনের কাজ সম্পন্ন করেন। অনেক গ্রাহক নতুন ডিজিটাল মিটার পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনবান্ধব বলে মন্তব্য করেন। মিটার পরিবর্তন কার্যক্রম চলাকালে স্বয়ং জেনারেল ম্যানেজার মোঃ খালেদুল ইসলাম মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন। তার সঙ্গে ছিলেন ডিজিএম (কারিগরি) ও। মাঠপর্যায়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে কর্মস্পৃহা ও দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে তোলে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ডিজিটাল মিটার স্থাপনের ফলে গ্রাহকরা এখন থেকে আরও নির্ভুল ও স্বচ্ছ বিলিং সুবিধা পাবেন। বিদ্যুৎ ব্যবহারের সঠিক তথ্য সহজেই জানা যাবে এবং অপ্রয়োজনীয় অভিযোগ ও বিভ্রান্তি কমে আসবে। একই সঙ্গে অবৈধ সংযোগ, বিদ্যুৎ অপচয় এবং সিস্টেম লস হ্রাস পাবে উল্লেখযোগ্য হারে। ফলে জাতীয় সম্পদের সুরক্ষাও নিশ্চিত হবে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যমতে, বর্তমান যুগে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর সেই জায়গা থেকেই ঢাকা পবিস-২ এর এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন তারা। উল্লেখ্য, জেনারেল ম্যানেজার খালেদুল ইসলাম এর আগেও ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক উন্নয়নমূলক ও নজিরবিহীন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছিলেন। তার দক্ষ নেতৃত্ব, সততা, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক আচরণের কারণে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষের কাছেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন। ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে দায়িত্ব পালনকালেও তিনি সিস্টেম লস কমানো, সেবার মান বৃদ্ধি এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর তদারকির মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, একজন দক্ষ প্রশাসকের প্রকৃত পরিচয় তার কাজের মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। আর সেই বাস্তব উদাহরণই বারবার তুলে ধরছেন জনাব মোঃ খালেদুল ইসলাম মহোদয়। তার নেতৃত্বে ঢাকা পবিস-২ আজ শুধু একটি বিদ্যুৎ সমিতি নয়, বরং আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব সেবার একটি অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ গ্রাহকদের প্রত্যাশা, এভাবেই যদি প্রতিটি দপ্তর জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে, তবে দেশের সেবাখাত আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও উন্নত হবে। বিদ্যুতের আলো যেমন মানুষের ঘর আলোকিত করে, তেমনি সৎ ও দক্ষ নেতৃত্ব একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ আলোকিত করে—ঢাকা পবিস-২ আজ যেন সেই বাস্তবতারই উজ্জ্বল উদাহর



















